1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
শহিদ ডাক্তার আবুল কাশেম দিবস, - Bangladesh Khabor
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে আল মুজাহিদ মল্লিকের মাদকবিরোধী সভায় মুছলেকা দিয়ে মাদক ছাড়লেন আজিজুল হক গোপালগঞ্জকে মাদক মুক্ত জেলা গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ডিসি’র সালমান শাহ হত্যা মামলায় কারাগারে ডন ‘তারেক রহমান-নরেন্দ্র মো‌দি একসঙ্গে বসলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে’ জন্মহার কমাতে চায় সরকার হেফাজত ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেব: প্রধানমন্ত্রী একই হামলায় একজনের পর এবার শিবির নেতা  সালাউদ্দিনও চলে গেলেন না ফেরার দেশে ঢাবির গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের চেয়ারম্যান জয়পুরহাটের টুটুল  কোটালীপাড়ায় হাতকড়া হাতে বাবার জানাজায় আ. লীগ নেতা কামাল দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ কবে শুরু হবে? যা বললেন সেতুমন্ত্রী

শহিদ ডাক্তার আবুল কাশেম দিবস,

  • Update Time : সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১
  • ৩৫৯ জন পঠিত
জয়পুরহাট থেকে ফারহানা আক্তার, 
শহিদ ডা: গাজী আবুল কাসেম ছিলেন জয়পুরহাটের বিশিষ্ট সমাজসেবী ,স্বাধীনতা সংগ্রামের সংগঠক, শিক্ষানুরাগী এবং একজন ডাক্তার ও আওয়ামী লীগ নেতা । তৎকালীন জয়পুরহাটে একজন মানবদরদী হোমিওপ্যাথি ডাক্তার হিসেবে তাঁর সুপরিচিতি ছিল । জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি ছিলেন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি ।
প্রগতিশীল চেতনা ধারণ, চর্চা ও দেশমাতৃকার প্রতি তাঁর অগাধ ভালোবাসা এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে কাজ করায় এই বুদ্ধিজীবী খুব অল্প সময়ে স্থানীয় শান্তি কমিটির লোকজন ও পাক হানাদার বাহিনীর কুনজরে আসেন । ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্থানীয় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের মদদে কুঠিবাড়ী ব্রিজ সংলগ্ন যমুনা নদীর পাড়ে ২৬শে জুলাই তিনি পাকিস্তানি বাহীনির হাতে নৃশংসভাবে শহিদ হন ।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাটের শহীদ ডা: আবুল কাশেম ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ২৪শে জুলাই দিবাগত রাত ৪টায় তৎকালীন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের নির্দেশে নিজ বাড়ি থেকে বলপূর্বক ধরে নিয়ে যায় পাক হানাদার বাহিনী । সে রাতে তারা জয়পুরহাট স্টেশনে আবুল কাশেমের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে ২৫শে জুলাই সকাল ৮টায় তাঁকে শান্তি কমিটির অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ সে সময় স্থানীয় শওনলাল বাজলার গদিঘরটি
শান্তি কমিটির অফিস ছিল ।
জয়পুরহাট থানা ও পরে খঞ্জনপুরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় । জয়পুরহাট থানা, খঞ্জনপুর ক্যাম্প, স্টেশনে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি থাকা অবস্থায় আবুল কাশেমের উপর নেমে আসে অসহনীয় নির্যাতন । পরিবারের লোকজন স্থানীয় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে শহিদ ডাক্তার আবুল কাশেমকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান । কিন্তু শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের মন গলে না ।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ক্যাম্পে একদিন এক রাত আটক রাখার পর ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ২৬শে জুলাই সন্ধ্যায় তৎকালীন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের নির্দেশে যমুনা পাড়ের আখ খেতে আবুল কাশেমকে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী ।
দেশ স্বাধীন হবার পর ডিসেম্বরের শেষ দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি যমুনা পাড়ের আখ খেতে শহিদ ডাক্তার আবুল কাশেমের কবর চিহ্নিত করেন । পরে  আখ ক্ষেত হতে তাঁর অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে শহরের দেবীপুর গ্রামে তাঁর বাড়ির পাশের কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয় ।
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জনাব রাজা চৌধুরী জানান, “শহিদ ডাক্তার আবুল কাশেম ছিলেন জয়পুরহাটের মাটি ও মানুষের ডাক্তার । একজন মানবহিতৈষী ডাক্তার হিসেবে তাঁর সুখ্যাতি ছিল । মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন । তাঁর অবদান কোনদিন ভুলবার নয় । কিন্তু নতুন প্রজন্ম আমাদের জেলার কৃতি সন্তানদের জীবনী অনেকেই জানেনা । শহরের প্রাণকেন্দ্রে একটি মাঠের নাম তাঁর নামানুসারে করা হলেও সেখানে কোন সাইনবোর্ড বা তোড়ন নেই । তাই আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কে অনুরোধ জানাবো, শহিদ ডাক্তার আবুল কাশেম ময়দানের গেইট দ্রুত নির্মাণ করা হোক, জেলাবাসী ও জেলার বাইরে থেকে আগত অনেকেই এই মাঠের নামটি দিন দিন হারিয়ে ফেলছে । একজন শহিদ বুদ্ধিজীবীকে চির স্মরণীয় করে  রাখতে হলে অবশ্যই তাঁকে যথাযথ সম্মান জানাতে হবে ।”
আজ শহিদ ডাক্তার আবুল কাশেম দিবস । তাঁর স্মৃতির প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION