1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
রূপপুরের সেই বালিশের দাম শুনে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী - Bangladesh Khabor
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৭ গ্যাস নিয়ে সুখবর জামায়াত-আ.লীগের পুরোনো প্রেম আবার জেগেছে: রাশেদ খান ফ্যাসিস্ট-গুপ্তদের রুখতে রাজপথ দখলে রাখতে বললেন যুবদল সভাপতি গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে হরিচাঁদ গুরুচাঁদ সেবা সংঘের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জনকারীদের তালিকা করছে ইসরাইল অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন বোমাবাজি নিয়ে পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার জাতীয় শিতোরিউ কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে জয়পুরহাটের ৩২ পদক জয় কোটালীপাড়ায় ছাত্রদলের সব ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

রূপপুরের সেই বালিশের দাম শুনে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ১৫২ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ২০২১-২২ অর্থবছরের ৩৮টি নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মো. নূরুল ইসলাম।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ডের’ অডিট প্রতিবেদনও রয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এসব প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের আলোচিত ওই ঘটনার নিরীক্ষা প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, সেখানে প্রতিটি বালিশের দাম ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা।

প্রেস সচিব বলেন, প্রতিটি বালিশের একরকম অবিশ্বাস্য দাম শুনে সিএজিকে কথার ছলে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘এই দামি বালিশের একটি জাদুঘরে রাখা উচিত’।

২০১৯ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি আবাসিক ভবনে’ আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ‘বালিশ কাণ্ড’ বা ‘বালিশ দুর্নীতির’ বিষয়টি সামনে আসে।

প্রতিবেদনের তথ্যে দেখা যায়, প্রকল্পের আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় ‘পদে পদে’ দুর্নীতি হয়েছে। একটি বালিশ কেনার পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা।

এর মধ্যে প্রতিটি বালিশের দাম দেখানো হয় ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। সেই বালিশ ফ্ল্যাটে ওঠানোর খরচ ৭৬০ টাকা দেখানো হয়।

এছাড়া কভারসহ প্রতিটি কমফোর্টারের (লেপ বা কম্বলের বিকল্প) দাম দেখানো হয় ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। যদিও এর বাজারমূল্য সাড়ে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। একইভাবে বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায়। অথচ এর বাজারমূল্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা বলে খবরে বলা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION