1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
লালমনিরহাট হানাদারমুক্ত দিবস পালিত - Bangladesh Khabor
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাউফলে ‘রেকটি’ সিরাপ ও মাদক বিক্রির টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বালুভর্তি টমটম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিলের পানিতে, দুই ঘণ্টা পর উদ্ধার হল হেলপারের মরদেহ কোটালীপাড়ায় বিবাহিত ও অবিবাহিতদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত সংসদে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়েছে: রুমিন ফারহানা সংসদের ৬ বিল পাশ, তৃতীয় অধিবেশনের সমাপ্তি কোটালীপাড়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ মাহবুব উদ্দিন খোকনের ওই আচরণ সঠিক ছিল না: আইনমন্ত্রী ভিন্নমত যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়: সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কোটালীপাড়ায় মাদ্রাসার স্থাপনা আটকে দোকান নির্মাণ; ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী-এলাকাবাসী সরকার বাঁকাপথে এগোচ্ছে, সঠিক পথে ফিরতে হবে: শিবির সভাপতি

লালমনিরহাট হানাদারমুক্ত দিবস পালিত

  • Update Time : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫২৯ জন পঠিত

লালমনিরহাট  থেকে মো.হাসমত উল্ল্যাহ,

 ৬ ডিসেম্বর লালমনিরহাট জেলা  পাক হানাদারমুক্ত দিবস পালিত হয়েছে । ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মরণপণ লড়াই আর মুক্তিকামী মানুষের দুর্বার প্রতিরোধে পাকহানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয় এই জেলা। ত্রিমুখী আক্রমণ চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাটকে শত্রু মুক্ত করেছিলো। বাংলার বীর সেনানী মুক্তিযোদ্ধারা এই দিনে সুর্যোদয়ের সাথে সাথে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে বিজয়ের পতাকা উড়িয়ে ছিলেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সূত্রে জানা গেছে, ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা তিন দিক থেকে আক্রমণ চালিয়ে লালমনিরহাট শহরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। তাদের ত্রিমুখী আক্রমণে টিকতে না পেরে খান সেনারা পিছু হটতে থাকে। এক পর্যায়ে চূড়ান্ত বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে মুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাট ঘিরে ফেলেন। অবস্থা বেগতিক দেখে ওই দিন ভোর ৬টায় লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাকসেনা, রাজাকার আলবদর ও তাদের দোসর অবাঙ্গালিরা দুটি স্পেশাল ট্রেনে করে রংপুর ক্যান্টমেন্টে পালিয়ে যায়। লালমনিরহাট শত্রু মুক্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারিদিক থেকে লোকজন ছুটে আসতে থাকে শহরের দিকে। সন্ধ্যার মধ্যে শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড় এলাকায় লোকজন পূর্ণ হয়ে যায় আর মূক্তির উল্লাস করতে থাকে। শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে শহর ও আশ-পাশের গ্রাম। আনন্দে উদ্বেলিত কন্ঠে স্বদেশের পতাকা নিয়ে ছুটোছুটি করতে থাকে তরুণ, যুবক, আবাল বৃদ্ধ বনিতা সকলই। লালমনিরহাটে এই দিনে সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ে মূক্তির উল্লাস। মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় মিছিল নিয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় এসে সমবেত হয়। আর স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে লালমনিরহাটকে শত্রু মুক্ত ঘোষণা করে।

পরদিন ৭ ডিসেম্বর বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মতো ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিতে বিজয়ের পতাকা নিয়ে শহরে ঢুকে পড়ে মুক্তিকামীরা। যারা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের কালো রাতে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। প্রসঙ্গত: মুক্তিযুদ্ধের সময় গোটা বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬ নং সেক্টরটি শুধূ বাংলাদেশের মাটিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর সেটি অবস্থিত লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারীতে। এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন, বিমান বাহিনীর এম খাদেমুল বাশার। বাকী ১০টি সেক্টর ছিল ভারতের বিভিন্ন এলাকায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION