কোটালীপাড়া প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ৬নং কুশলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সামাদ শিকদার। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সামাজিক পরিবর্তন এবং যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষার প্রত্যয় নিয়ে তিনি কুশলা ইউনিয়নকে একটি সুশিক্ষিত, সচেতন ও মাদকমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন।
আব্দুস সামাদ শিকদার একজন সফল মৎস্য খামারি ও সমাজসেবক। পেশাগত জীবনে মৎস্য খামার পরিচালনার পাশাপাশি সমাজের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আগ্রহ থেকেই তিনি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে ভাবছেন। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর প্রত্যাশা, কুশলা ইউনিয়নের শিক্ষা, সামাজিক পরিবেশ ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। তিনি মনে করেন, একটি উন্নত সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা। শিক্ষিত প্রজন্মই পারে সমাজ থেকে অশিক্ষা, কুসংস্কার ও নানা সামাজিক অবক্ষয় দূর করতে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে তিনি কুশলা ইউনিয়নের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দিতে চান। তাঁর প্রত্যাশা, কুশলা ইউনিয়ন একদিন শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিকদের একটি আদর্শ জনপদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।
যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখাই অন্যতম লক্ষ্য
আব্দুস সামাদ শিকদারের পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান বিষয় হলো যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ প্রভাব থেকে ফিরিয়ে আনা। তাঁর মতে, তরুণ প্রজন্ম একটি সমাজের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই শক্তিকে সঠিক পথে পরিচালিত করা গেলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। অন্যদিকে, মাদকের বিস্তার তরুণদের ভবিষ্যৎ, পারিবারিক শান্তি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষামূলক উদ্যোগ ও কর্মসংস্থানমুখী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর তিনি গুরুত্ব দিতে চান। পাশাপাশি মাদকবিরোধী সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সচেতন মহলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথাও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।
জনকল্যাণ ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে প্রত্যাশা
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সামাদ শিকদার কুশলা ইউনিয়নের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক সমস্যাগুলো সমাধানে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। তাঁর ভাবনায়, একটি ইউনিয়নের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষার প্রসার, সামাজিক নিরাপত্তা, যুবসমাজের বিকাশ এবং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি কুশলা ইউনিয়নকে এমন একটি জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা করেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার সুযোগ পাবে, তরুণরা মাদকের পরিবর্তে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবে এবং সাধারণ মানুষ সামাজিক উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারবে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জনগণের অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে আব্দুস সামাদ শিকদারের এস ব প্রত্যাশা বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা, ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতা।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে শিক্ষা, যুবসমাজের সুরক্ষা ও সামাজিক পরিবর্তনকে সামনে রেখে কুশলা ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহই তাঁর বক্তব্যের মূল প্রতিপাদ্য।
Leave a Reply