1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
বাউফলে মাদ্রসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ  - Bangladesh Khabor
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাউফলে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত কারা ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দিচ্ছে, জানালেন ডিএমপির ডিসি দিবাস্বপ্ন দেখবেন না, এ জীবনে হাসিনা আর ফিরবে না: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউপিতে নির্বাচন, থাকছে না ইভিএম এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও একই হারে পে-স্কেল পেতে যাচ্ছেন: শিক্ষামন্ত্রী ডিসেম্বরে আ. লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম অপতথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে একটি মহল: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী কোটালীপাড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি রচিত হয়: খন্দকার মারুফ ডিসেম্বরে কেউ আসতে চাচ্ছে, আমরা প্রস্তুত আছি: নাহিদ ইসলাম

বাউফলে মাদ্রসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ 

  • Update Time : সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৯২ জন পঠিত
কহিনুর বেগম, বাউফল : পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় জ্যেষ্ঠতা লঙ্গন করে ভারপ্রাপ্ত সুপার পদে নিয়োগ পেয়েছন মাসুম বিল্লাহ নামের এক শিক্ষক। অভিযোগ করা হয়েছে মাদ্রসার টাকা আত্মসাত। উপজেলার উত্তর দাসপাড়া দাখিল মাদ্রসার ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। এসকল অনিয়মের বিরুদ্ধে শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন একই মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মোঃ নজির উদ্দিন।
অভিযোগে সূত্রে জানা গেছে, উত্তর দাসপাড়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৯৮৭ সালের ১ অক্টোবর মাওলানা নজির উদ্দিন যোগদান করেন এবং একই সালে এমপিও ভুক্ত হন। অপরদিকে মাওলানা মাসুম বিল্লাহ ১৯৯০ সালের ২২ অক্টোবর যোগদান করেন এবং একই সালের ১নভেম্বর এমপিও ভুক্ত হন। সরকারী পরিপত্র অনুসারে কোন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এবং সহ-প্রধান শিক্ষক না থাকলে ওই বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠতম শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু মাসুম বিল্লাহ নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে জ্যেষ্ট শিক্ষক থাকার পরেও তিনি নানা কারসাজির মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত সুপার নিযুক্ত হন। এঘটনায় নজির উদ্দিন মাদ্রসা শিক্ষা অধিদপ্তরসহ অন্যান্য কয়েকটি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।
এঘটনা তদন্তে আসেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্তকর্তা অভিযোগ রয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গচ্ছিত অর্থ আত্মসাত, কারন নিয়োগে অর্থ আদায়, উপবৃত্তি ও ছাত্র-ছাত্রীদের টিউশানি ফি ৫০হাজার টাকা আত্মসাত, স্কুলের পুরাতন বই বিক্রির ৩৫ হাজার টাকা আত্মসাত, নিষিদ্ধ গাইড বই পেতে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাত, একই মাদ্রাসার শিক্ষক শাহজালাল সিকদারকে শ্রমিক এবং তার মেয়েকে ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী দেখিয়ে উপবৃত্তির নাম দিয়ে টাকা আত্মসাতসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল হক বলেন, আমাকে অধিদপ্তর থেকে তদন্তের ভার দেয়া হয়েছে। আমি তদন্তে গিয়ে তাদের বক্তব্য শুনেছি এবং যাবতীয় কাগজ পত্র সংগ্রহ করেছি।  যাচাই বাচাই করে সত্যাতার ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এছাড়াও ছাত্র অবস্থায় জাল সার্টিফিকেট তৈরি করে অপর একটি মাদ্রাসা চাকরির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এব্যপারে অভিযুক্ত মাসুম বিল্লাহকে মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করার পরও ফোন ধরেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION