1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
গোদাগাড়ীর কাশিমপুর এ কে ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ - Bangladesh Khabor
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী ও বৃত্তি পরীক্ষার দিনে ইউপি ভোট নির্ধারণ ইসির জয়পুরহাটে কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ে এক সঙ্গে ২৫ ছাত্রী অসুস্থ্য গাইবান্ধায় সড়কে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চেক বিতরণ কুষ্টিয়ায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বিএনপি অফিসে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৬ কোটালীপাড়ায় পুলিশের উপর হামলা, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সালমান গ্রেপ্তার একনেকে ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পের অনুমোদন, চলবে কোন রুটে এবার সরিয়ে দেওয়া হলো গুলশান বিভাগের ডিসিকে বাউফলে প্রান্তিক পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ শেষে নগদ অর্থ বিতরণ বাউফলে ২১ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

গোদাগাড়ীর কাশিমপুর এ কে ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

  • Update Time : শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩০২ জন পঠিত
গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাশিমপুর এ কে ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে অবৈধভাবে নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির আখতার জাহানের বিরুদ্ধে নিয়োগ জালিয়াতি, স্বাক্ষর জাল করা, টিউশন ফি’র অর্থ আতসাতসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ তুলে ওই স্কুলের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দীক এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির আখতার জাহান ২০০১ সালের ১১ এপ্রিল সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান অবৈধভাবে। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বি.পি.এড সদন থাকা বাধ্যতামূলক থাকলেও ওই সময় তাঁর সেটি ছিল না।
বিষয়টি ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর মাধ্যমিক ও শিক্ষা আঞ্চলের উপ-পরিচালক কার্যালয় থেকে তদন্ত প্রতিবেদনেও বিষয়টি উঠে আসে। গোলাম কবির আখতার জাহান সহকারী শিক্ষক হিসেবে ওই নিয়োগ পাওয়ার মাত্র ১০ মাসের মধ্যে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। একানেও তাঁকে চরম জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই সময় সহকারী প্রদান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে অন্তত ১২ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকার কথা বলা হলেও মাত্র ১০ মারে অভিজ্ঞতা দিয়েই তিনি সেই পদে আসিন হন। এমনকি সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মেয়াদ অন্তত ১৫ দিন থাকার কথা থাকলেও সেটিও ছিল মাত্র সাত দিনের জন্য। ওই সময়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের কোনো রেজুলেশনই রাখা হয়নি স্কুলে। লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক অবসরে যাওয়ার পরে ওই পদে বসেন সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির আখতার জাহান। গত ২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান।
গোপনে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তিনি সে পদটিতে বসেন। এর পর তিনি সহকারী শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দীকের টিইশন ফি আত্মসাত থেকে শুরু করে এছাড়া আবু বক্কর সিদ্দীক উচ্চতর স্কেলে বেতন-ভাতার সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা থাকলেও সেটিতেও বাধা প্রদান করে তাঁকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। এমপি আবেদনের সময় শিক্ষক বিবরণীর ছকে শিক্ষকদের স্বাক্ষর জাল করে প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির আখতার জাহান নিজের পছন্দমতো তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
এতে নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সহকারী জ্যেষ্ট শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দীক।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির আখতার জাহান বলেন, ‘এসব অভিযোগ সঠিক নয়। যা কিছু হয়ে নিয়মের মধ্যে থেকেই করা হয়েছে। এর বাইরে কিছুই হয়নি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা রটানো হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION