1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
কাহারোলে এই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ বধ্যভূমিটি বিধবাদের কালের স্বাক্ষী - Bangladesh Khabor
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন গোপালগঞ্জে এলজিইডি’র নবনিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব গ্রহণ ও বদলী জনিত বিদায়ী প্রকৌশলীকে সংবর্ধনা প্রদান সোনারগাঁয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাকির হোসেন বাবু’র গণসংযোগ  গাইবান্ধায় র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ২১৩ বোতল এসকাফ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে রাজনীতির সংশ্লিষ্টতা নেই: পরিবেশমন্ত্রী ‘১৮ বছরের কম বয়সিরা যেন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না পারে’ রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য আলোচনায় বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা

কাহারোলে এই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ বধ্যভূমিটি বিধবাদের কালের স্বাক্ষী

  • Update Time : বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১
  • ৪৮৮ জন পঠিত

কাহারোল থেকে সুকুমার রায়,

গ্রামটির নাম সিংগাড়ীগাও। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর এই গ্রামের নাম পড়ে যায় বিধবা পল্লী। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই গ্রামের ৬৫ জন সংখ্যালঘু পুরুষকে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা নৃশংসভাবে গুলি করে মেরে ফেলে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পার্শ্ববতী দেশ ভারতে যাবার জন্য বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ২০০ জন পুরুষ-মহিলা সিংগাড়ীগাঁও গ্রামে সমবেত হয়। তাদের মধ্যে একজন অনিল চন্দ্র রায় জানান, আমি ও আমার স্ত্রীসহ ভারতে যাওয়ার জন্য সিংগাড়ীগাঁও গ্রামে আমার শ্বশুড় ধনেশ্বর সাহার বাড়ীতে আসি। তিনি আরো বলেন, আমরা একসাথে প্রায় ২০০ জন পুরুষ-মহিলা ভারত যাওয়ার জন্য রওনা দেই, ঠিক সেই সময় পথে নাড়াবাড়ী হাট নামক স্থানে পাক সেনা বাহিনী ও রাজাকাররা এসে আমাদেরকে ঘিরে ফেলে এবং ১১০ জন পুরুষকে আলাদা করে নাড়াবাড়ী হাটের পার্শ্বেই রামপুর স্কুলে নিয়ে গিয়ে ঘরের মধ্যে বন্ধ করে রাখে এবং বাকী নারী ও শিশুদেরকে ছেড়ে দেন।

অনিল আরো বলেন, পরের দিন সকাল ১০ টার সময় আমাদেরকে স্কুল থেকে বের করে স্কুলের মাঠে লাইন করে রাজাকাররা দড়ি দিয়ে সকলের হাত বাধে, এমন সময় পাক সেনা বাহিনীর বড় অফিসার ২টি জীপ গাড়ী নিয়ে উপস্থিত হন। তিনি কি বললেন না বললেন আমি বা আমরা কিছুই বুঝে উঠতে পারলাম না ঠিক ঐ সময় পাক সেনা বাহিনীর ক্যাপটেন আমার হাত থেকে দড়ি খুলে দিয়ে আমাকে তার জীপ গাড়ীতে করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। আমি ভয়ে ভয়ে ক্যাম্পে প্রায় এক মাস ছিলাম আমাকে কোন কিছু বলে না আমি খাই আর ঘুমাই এবং কোথাও যেতে দেয় না। আমার সামনেই প্রতিদিন শতশত মানুষকে পাক হানাদার বাহিনী গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করে আমি শুধু ক্যাম্পের ভিতর থেকে ফেল ফেল করে চেয়ে থাকি। এক মাস পরে আমাকে ছেড়ে দেয় এবং বাড়ীর কাছাকাছি ধুকুরঝাড়ী নামক স্থানে ক্যাপটেন নিজে জীপে করে নেমে দেয়। তাকে না মারার কারণ জানতে চাইলে অনিল জানান, ক্যাপটেনের নাকি আমার মত একজন ছেলে ছিল সে মারা গেছে তাই হয়ত বা আমাকে মেরে ফেলে নাই। আমি বাড়ী আসলে শুনি যাদেরকে রামপুর স্কুলে বন্ধি করে রেখেছিল তাদের সবাইকে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে পাক সেনা বাহিনী ও রাজাকাররা। তাদের মধ্যে আমার শ্বশুড় ধনেশ্বর সাহাসহ সিংগাড়ীগাঁও গ্রামেরই ছিলেন ৬৫ জন পুরুষ। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ৪নং তারগাঁও ইউনিয়নের সিংগাড়ীগাঁও গ্রামে মুক্তিযুদ্ধের এই স্মৃতিস্তম্ভ বধ্যভূমিটি ৬৫ জনের স্বাক্ষী হিসেবে রয়েছে। দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল তার নিজ অর্থায়নে ২০২০ সালে মুক্তিযুদ্ধের এই স্মৃতিস্তম্ভ বধ্যভূমিটি নির্মাণ করা হয়েছে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION