জয়পুরহাটের হয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেন নাফিজা ইসলাম (কাতা ও কুমিতে), আব্দুল্লাহ আল আনাফ (কাতা ও কুমিতে), তৌসিফ রহমান তাহিম (কুমিতে), ফাহিজ আবরার ইহান (কাতা ও কুমিতে), মারজুক রহমান সাবিব, সামির সাদমান (কাতা ও কুমিতে) ও নাবাইল নুর আকিব।
এ ছাড়া তৌসিফ রহমান তাহিম, ফাহিজ আবরার ইহান, মারজুক রহমান সাবিব, সামির সাদমান ও নাবাইল নুর আকিব রৌপ্য পদকও অর্জন করেন। আবু সাইদ একটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন। দুটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন তাকিয়া তাসফিয়া।
রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন মো. আলী ইবনে মুনসুর, নুরাজ রামিল, রাপিদ ইবনে নুর, আনাফ হাসান, রাফসান জারিন, সামিউল ইসলাম রবিউল ও হামিম নুর সালাফি।
চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিতোরিউ কারাতে দো-এর প্রতিষ্ঠাতা ও কান্ট্রি হেড সেনসেই নাজমুল হাসান অভি।
জয়পুরহাট দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন কিং কুইন জিম একাডেমির পরিচালক আমানুল্লাহ আমান। ম্যানেজার ছিলেন নাইমুর রহমান এবং মহিলা ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন শারমিন আক্তার।
প্রতিযোগিতায় জয়পুরহাটের দলকে সার্বিক সহযোগিতা করে জয়পুরহাট জেলা ক্রীড়া সংস্থা। এ সাফল্যে জেলার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এদিকে প্রতিযোগিতা শেষে ঢাকা থেকে ফিরে কিং কুইন জিম একাডেমির পরিচালক আমানুল্লাহ আমানের নেতৃত্বে দলের সদস্যরা গতকাল জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আল মামুন মিয়া ও পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা দলের অর্জন সম্পর্কে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন।
Leave a Reply