1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
আদালতে আসামির পাউরুটির ভেতরে গাঁজা-ইয়াবা - Bangladesh Khabor
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুস্থ সবল জনগোষ্ঠী ব্যতীত একটি দেশ অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধশীল রাষ্ট্র হতে পারে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার নতুন চেয়ারম্যান সাব্বির মোস্তফা বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য ফের চালু করতে চায় মিয়ানমার এনআইডি সংশোধন সহজ করতে ইসির কমিটি যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘সর্বোচ্চ মর্যাদা’ দেয় তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী আদালতে আসামির পাউরুটির ভেতরে গাঁজা-ইয়াবা সাদুল্লাপুরে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রধান আসামি নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার শ্রীপুরে সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে -২০২৫ সালে প্রাথমিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা প্রদান

আদালতে আসামির পাউরুটির ভেতরে গাঁজা-ইয়াবা

  • Update Time : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৩ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার সময় এক হাজতির হাতে থাকা পাউরুটির ভেতর থেকে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। আদালত চত্বরেই হাজতির এক স্বজন ওই পাউরুটি দিয়েছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ঘটনাটি ধরা পড়ার পর ওই হাজতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) আদালত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, আসামি মামুনকে সিএমএম ১১ নম্বর আদালতে নিয়মিত হাজিরার জন্য আনা হয়। শুনানি শেষে তাকে আবার হাজতখানায় নেওয়ার সময় আদালত প্রাঙ্গণে তার এক স্বজন খাবার হিসেবে একটি পাউরুটি দেন। পরে ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের এসকর্ট কনস্টেবলের সঙ্গে হাজতখানায় প্রবেশের আগে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশির সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত হাজত ইনচার্জের সন্দেহ হলে পাউরুটিটি পরীক্ষা করা হয়। এ সময় পাউরুটির ভেতরে কাগজে মোড়ানো তিনটি ছোট গাঁজার পুরিয়া এবং তিনটি ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পরে সেগুলো জব্দ করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, ঘটনার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত হাজত ইনচার্জ এসআই মোর্শেদ আলম ও আদালত পুলিশের কর্মকর্তারা বিষয়টি ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেলকে অবহিত করেন।

এ বিষয়ে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল শাহেদ বলেন, আমি ১১ নম্বর আদালত থেকে মামুন নামের একজন আসামিকে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলাম। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে, কোনো ধরনের খাবার, প্যাকেট বা অন্য কোনো বস্তু ভেতরে নেওয়া যাবে না। তাই সাধারণত আমরা এসব গ্রহণও করি না।

তিনি বলেন, আসামির সঙ্গে কয়েকজন স্বজন ছিলেন। তারা সিঁড়ির কাছে এসে একটি পাউরুটি দেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ ও চাপ দিতে থাকেন। পরে মানবিক দিক বিবেচনা করে পাউরুটিটি আসামির কাছে যেতে দিই। হাজতখানার গেটে দায়িত্বরত সদস্যরা সেটি নিয়ে তল্লাশি করেন। আমি আসামিকে বুঝিয়ে দিয়ে আবার আমার ডিউটিতে ফিরে যাই। এরপর পাউরুটির ভেতর থেকে মাদক উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পারি। এর বাইরে ঘটনাটি সম্পর্কে আমার আর কিছু জানা নেই।

সিএমএম আদালতের হাজতখানার ইনচার্জ এসআই মোর্শেদ আলম বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। এরকম হতে পারে। আমি তখন সেখানে ছিলাম না। জেনে আপনাকে জানাতে পারব।

ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বলেন, আমি দায়িত্বে থাকা কনস্টেবলের সঙ্গে কথা বলেছি। আসামিকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় তার স্বজনরা খাবার দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করছিল। কনস্টেবল প্রথমে রাজি না হলেও মানবিক বিবেচনায় একটি পাউরুটি নিতে দেন। রুটিন তল্লাশিতে প্রথমে কোনো সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। কারণ তখন কারও ধারণা ছিল না যে পাউরুটির ভেতরে মাদক লুকিয়ে রাখা হতে পারে। পরে আবার পরীক্ষা করে পাউরুটিতে একটি ছোট ছিদ্র দেখতে পাওয়া যায়। সেটি খুঁটিয়ে দেখার পর ভেতর থেকে গাঁজার কয়েকটি ছোট প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্টদের খোঁজ করা হলেও যারা খাবারটি দিয়েছিল, তারা ইতোমধ্যে চলে যায়।

তিনি বলেন, ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফুটেজ দেখে কে খাবারটি দিয়েছে, তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে হাজতিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিসি আরও বলেন, এটি একটি গুরুতর নিরাপত্তাজনিত বিষয়। তাই দায়িত্বে থাকা সদস্যদের আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকালও তাদের ব্রিফ করেছি, আবারও ব্রিফ করা হবে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। প্রতিদিন সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাতে কেউ হাজতিদের কাছে খাবার বা অন্য কোনো নিষিদ্ধ বস্তু পৌঁছে দিতে না পারে।

তিনি বলেন, আদালত প্রাঙ্গণের বাইরে, জেলখানা থেকে আদালতে আসামি আনা-নেওয়ার সময়ও অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটে। ওই অংশের নিরাপত্তা ও তদারকির দায়িত্ব মূলত কারা কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সদস্যদের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION