ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকসহ সরকারের ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা দলীয় পদধারী দাবি করে এর কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
বিষয়টিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘যে প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হওয়ার কথা, সেখানে সরকার যদি দলীয় পদধারী নেতা-কর্মীদের নিয়োগ দেয়, তাহলে দেশে গণতন্ত্র কোনোভাবে অবশিষ্ট থাকে না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
শনিবার বিকালে রাজধানীর বাংলামোটরের নেভি গলিতে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আখতার এসব কথা বলেন। ‘জুলাই শ্রমিক জাগরণ’ শিরোনামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এনসিপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তি।
আখতার হোসেন বলেন, দলীয়ভাবে সবকিছুকে দখলে নিতে তারা এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় রিকশা চালানো অবস্থায় চালকদের স্লোগান দেওয়ার ভিডিও দেখে সাহস পেয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিন্তু শ্রমিক শ্রেণির মানুষের নাগরিক অধিকার ও ন্যূনতম মানবিক মর্যাদা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। সামগ্রিকভাবে গোটা দেশকে যদি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পরিচালনা করা সম্ভব না হয়, তাহলে শ্রমিক শ্রেণিসহ কারও পক্ষেই সামনে এগোনো সম্ভব নয়। বাংলাদেশ রাষ্ট্রটিকে গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা করার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালীভাবে দাঁড় করাতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা করতে আমরা গণভোটে অংশগ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তারা গণভোটের রায় এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেনি।’
সরকারকে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, সরকার জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা নস্যাৎ করছে। একদলীয় শাসন কায়েম করতে সব স্তরে দলীয় প্রতিনিধি বসাতে তারা উঠেপড়ে লেগেছে। দলীয় প্রশাসক বসিয়ে তারা লুটেপুটে খেতে চায়।
Leave a Reply