1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
পটুয়াখালীর বুড়াগৌরাঙ্গ ও তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ রক্ষার নামে চলছে চোর-পুলিশ খেলা - Bangladesh Khabor
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জয়পুরহাটে শ্রমিক নেতা মাহমুদুল হাসান হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন পলাশবাড়ীতে র‍্যাবের অভিযানে ১,২৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলেন পলক নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করতেই দলীয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে : আখতার শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে: মির্জা ফখরুল সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রীড়া মানুষকে শৃঙ্খলাবোধ, সহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দেয়: প্রধানমন্ত্রী জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন  অতীতের ১৭ বছরে এ অঞ্চলের মানুষ তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারেনি : এমপি জিলানী

পটুয়াখালীর বুড়াগৌরাঙ্গ ও তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ রক্ষার নামে চলছে চোর-পুলিশ খেলা

  • Update Time : রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৭৫ জন পঠিত
কহিনুর বেগম, পটুয়াখালী : পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে মা ইলিশ রক্ষার নামে চলছে চোর-পুলিশ খেলা। মা ইলিশের নিরাপদ প্রজননের তেঁতুলিয়া -বুড়াগৌরাঙ্গ  নদী জুড়ে অভায়শ্রম ঘোষনা করে সরকার। কিন্তু সেই অভায়শ্রম এখন আর নিরাপদ নেই।
জেলেরা নির্বিগ্নে মা ইলিশ শিকার করছেন । গত ১৩ অক্টোর থেকে  আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিনের জন্য মা ইলিশ ধরা, বেচা-কেনা ও পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে মাছ ধরার  ইঞ্জিনচালিত ট্রলার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তেঁতুলিয়া-বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে। অভিযোগ রয়েছে, ইলিশ রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা জেলেদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। যে কারণে অভিযানের দিনক্ষন ও সময় টা জেলেরা আগাম জেনে যায়। সর্তক হয়ে যায় তারা। নামমাত্র অভিযান শেষে কর্তাব্যক্তিরা যখন চলে আসেন তখন আবার নদীতে জাল নিয়ে নামে পরে জেলেরা। এ যেনো চোর-পুলিশ খেলার মত। তবে নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যে সব জেলেরা মাছ শিকার করছেন তারা অধিকাংশই মৌসুমি জেলে বলে দাবি করেছেন প্রকৃত জেলেরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তেঁতুলিয়া-বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর বাঁশবাড়িয়া, ঢনঢনিয়া, কেদির হাট,  গোলখালী, কালারানী, আউলিয়াপুর, চরবোরহান, পাতার চর ও রনগোপালদীসহ অবাধে চলে ইলিশ শিকার। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় জেলেরা নদীতে মাছ শিকারে নামেন। বিশেষ মাধ্যমে প্রশাসনের অভিযানের খবর পৌঁছে যায় জেলেদের কাছে। যার কারণে নিয়মতি অভিযান চললেও ইলিশ নিধন বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছেনা।
এবিষয়ে উপজেলা মেরিল ফিসারিজ কর্মকর্তা মো নাজমুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক দিনে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৩ লাখ অবৈধ জাল বিনষ্ট, সাড়ে ৫ শ’ কেজি মা ইলিশ জব্দ করে বিভিন্ন এতিমখানা ও হাফিজ মাদ্রাসায় বিতরন এবং ৪০ জন জেলেকে আটক করে জেল-জরিমানা করতে সক্ষম হয়েছি। তবে অভিযান পরিচালনায়  আমাদের জনবল সংকট মুল সমস্যা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION