1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
‘হানিকুইন’ আনারস চাষে ভালো দাম, খুশি চাষিরা - Bangladesh Khabor
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের চার জেলায় নতুন পুলিশ সুপার জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের কথা মাথায় রেখেই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি: তথ্য উপদেষ্টা শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতা করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিসি ফরিদা দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ গোপালগঞ্জের নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী সরদার আকিবুল ইসলাম: সম্ভাবনা, প্রত্যাশা ও জনসম্পৃক্ততার সমীকরণ বাউফলে নিজ কার্যালয়ে বসেন না স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ দাম বাড়লো এলপিজির

‘হানিকুইন’ আনারস চাষে ভালো দাম, খুশি চাষিরা

  • Update Time : রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০২২
  • ৮৭৯ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট: রসে টইটম্বুর, সুস্বাদু ও বেশ মিষ্টি পাহাড়ি আনারস ‘হানিকুইন’। বর্তমানে এ জাতের আগাম আনারসে ভরপুর রাঙামাটির বাজারগুলো। আনারসের রসালো মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত বাজার এলাকা।:
তবে আনারসের আগাম ফলন ভালো হওয়ায় ন্যায্য দাম পেয়ে খুশি চাষিরা। বর্তমানে রাঙামাটি শহরের বাজারগুলোতে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে এ আনারস। এছাড়াও শহরের বাইরে ঢাকা-চট্টগ্রামেও সরবরাহ হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় মানুষ আগাম আনারস খেতে পেরে খুব খুশি। স্থানীয় হাট-বাজার থেকে এনে অনেকে ফেরি করে শহরের বিভিন্ন আনাচে-কানাচে আনারস বিক্রি করছে। দেখা গেছে, পথচারী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আনারস খাচ্ছেন ইচ্ছেমতো। বাজার এলাকাগুলোতেও দেখা যায় একই চিত্র।

এ সময় অনেকেই জানিয়েছেন, মৌসুমে যে আনারস পাওয়া যায় তাতে একটি মিষ্টি গন্ধ থাকলেও এসব আনারসে সে গন্ধটি অনেকটা নেই। তবে খেতে মজা বটে।

চাষি ও সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন স্থানে আনারসের প্রচুর উৎপাদন হচ্ছে। সবচেয়ে অধিক উৎপাদন হচ্ছে নানিয়ারচরে। মৌসুমের আগেই হাটবাজারে এসেছে প্রচুর আনারস। বাজারে বড়-ছোট এবং মাঝারি সাইজের প্রতি জোড়া আনারস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে শুরু করে ৫০ টাকা পর্যন্ত। তবে কৃষকদের কাছে পাইকাররা কিনছেন, মাত্র ২০ থেকে শুরু করে ৪০ টাকা পর্যন্ত। নানিয়ারচরসহ জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ আনারস জেলা সদরসহ বিভিন্ন বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে। স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে রাঙামাটির আনারস যাচ্ছে ঢাকা, শরীতপুর ও চট্টগ্রামসহ বাইরের জেলাতেও।

নানিয়ারচর উপজেলা থেকে শহরের বনরূপা সমতাঘাট বাজারে আনারস বিক্রি করতে আসা চাষি প্রীতিসেন চাকমা জানান, আগাম আনারস চাষ করতে যা খরচ হচ্ছে তা এবার পুষিয়ে নেয়া যাবে। কারণ আনারসের বাম্পার ফলন হয়েছে এবং ন্যায্য দামও পাচ্ছি। তিনি খুব খুশি।

আরেক চাষি পদ্মকোমল চাকমা জানান, এবার আনারসের ভালো ফলন হয়েছে। দাম ও ভালো পাচ্ছি। এতে তারা বেশ লাভবান হচ্ছেন। করোনা মহামারির কারণে বিগত বছরগুলো আনারসের চাষ করে বেশ লোকসানে পড়েছিলাম। তবে এবার অনেকটা তা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।

পাইকারী ব্যবসায়ী সিলেটের আউয়ুব এবং পাবনার মনঞ্জু জানান, তারা চাষিদের কাছ থেকে পাইকারি দরে ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে প্রতিজোড়া আনারস ক্রয় করছেন। বর্তমানে আনারসগুলো ছোট, বড় এবং মাঝারি বাছাই করে ৩০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক তপন কুমার পাল জানান, জেলায় বেশিভাগ আনারসের চাষ হয় নানিয়ারচর উপজেলায়। তাছাড়া রাঙামাটি সদর ও লংগদু উপজেলায় ও প্রচুর আনারসের চাষাবাদ হচ্ছে। সাধারণত আনারসের উৎপাদন হয় বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠে। কিন্তু বর্তমানে যে আগাম আনারসের উৎপাদন হচ্ছে সেগুলো বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তিতে ‘রাইফেন’ নামের হরমোন জাতীয় রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে চাষাবাদ করা হচ্ছে। এই আনারসের জাতের নাম হচ্ছে ‘হানিকুইন’।

তিনি আরো জানান, ‘রাইফেন’ হরমোন দিয়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যেসব আনারসের উৎপাদন হচ্ছে সেগুলো মানুষের দেহে কোনো ক্ষতি হবে না। এবার মৌসুমে জেলায় আনারসের লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় ২ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। মোট উৎপাদন ৫৫ হাজার ৯১৩ মেট্রিক টন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION