1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
গোপালগঞ্জে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় চলছে মহিলা দাখিল মাদ্রাসা  - Bangladesh Khabor
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর সারের ডিলার নিয়োগে বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই : চন্দন গোবিন্দগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে একই দিনে জম্ম নেওয়া দুই ভাই বোনের মৃত্যু পাঁচবিবিতে দিলীপ কুমার মাঝি হত্যা মামলার ২৩ বছর পর মোজাম নামে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কোটালীপাড়ায় বিয়ে ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে তৃত্বীয়পক্ষের হামলায় আহত হয়ে হাসাপাতালে মেয়ের মামা গোপালগঞ্জে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় চলছে মহিলা দাখিল মাদ্রাসা  কুশলায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সবুজ ফকির, অগ্রাধিকার মাদকমুক্ত সমাজ গঠন কোটালীপাড়ায় মদ্যপানে দুই যুবকের মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন চায় জামায়াত আদালতের রায়ে মেয়র, শাহাদাত এবার চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসক

গোপালগঞ্জে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় চলছে মহিলা দাখিল মাদ্রাসা 

  • Update Time : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২২ জন পঠিত

কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিকে সঙ্গী করেই চলছে উলপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসা। এমনই অভিযোগ পাওয়া গেছে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর ইউনিয়নের একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে।

এলাকাবাসী ও অভিভাবক সূত্রে জানা যায়, সকল অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি কর্মের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও নেতৃত্ব দিচ্ছেন ওই প্রতিষ্ঠানের সুপার এ. কে. এম সাইফুল্লাহ। পাশাপাশি তিনি উলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে ভাড়া বাসায় কোচিং সেন্টারও খুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সেখানে মাদ্রাসার ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন এবং গাইড বই বিক্রয় করেন। যে সকল ছাত্রীরা কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয় না এবং গাইড বই কিনে না তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করারও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও তিনি গত ২০২৩ সালে মাদ্রাসার অসহায়, দুস্থ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে অনুদান হিসেবে বিতরণের জন্য ৫ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। তৎকালীন সময়ে তিনি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কোন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক- কর্মচারীদের মাঝে বিতরণ না করে ভূয়া তালিকা ও বিল ভাউচার তৈরি করে সমুদয় অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সুপারের আশ্রয় প্রশ্রয়ে চাকরির পাশাপাশি লাইব্রেরীর ব্যবসা, প্রতারণার ও নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে চলেছেন আইসিটি শিক্ষক রাসেল চৌধুরী। এই শিক্ষকের নামে রয়েছে একাধিক প্রতারণা ও চেক জালিয়াতির মামলা। এছাড়াও কয়েক বছর পূর্বে এই শিক্ষকের নামে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় বেশি নম্বর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মাদ্রাসার ছাত্রীদের সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ  উঠেছিলো বলে জানা গেছে। এছাড়াও গত রোববার (২৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় গণমাধ্যমকর্মীদের একটি দল সরেজমিনে ওই মাদ্রাসায় তথ্য অনুসন্ধানে গিয়েও অনুপস্থিত দেখতে পান। পরে দুপুর পৌনে ১২ টার দিকে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে পিতার অসুস্থতার কথা বলেন। অথচ তিনি কোর্টে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে গণমাধ্যমকর্মীদের দেখে তিনি তড়িঘড়ি করে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। সুপার নিজেই আবার তার পক্ষে সাফাই গান। মাদ্রাসার একটি গোপন সূত্রে জানা গেছে আইসিটি শিক্ষক রাসেল প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ দিন নিজের একটি লাইব্রেরী ও খেলাধুলার সামগ্রী বিক্রির অপর আরেকটি দোকানে সময় দেওয়া, মামলার হাজিরা ও ব্যক্তিগত কাজের প্রয়োজনে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকলেও সুপার তাকে হাজিরা খাতায় নিয়মিত উপস্থিত দেখান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদ্রাসার এক স্টাফ জানান, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে সুপার এবং আইসিটি শিক্ষকই যথেষ্ট। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে গিয়ে ধীরে ধীরে মাদ্রাসাটির ক্ষতি করছেন।

সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে এলাকাবাসীরা বলেছেন, এই মাদ্রাসাটির বেশ কয়েকজন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি করে আসছে। এদের বিষয়ে তদন্ত করলে অনেক গোপন অনিয়ম ও অপকর্মের প্রমান পাওয়া যাবে।

আইসিটি শিক্ষক রাসেল চৌধুরী  বলেন, আমি কখনোই মাদ্রাসা ফাঁকি দেই না। লাইব্রেরীটি আমার ছেলের নামে, ছেলেই পরিচালনা করে, আমি কখনোই লাইব্রেরীতে সময় দেই না।

এ সকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সুপার এ. কে. এম সাইফুল্লাহ প্রাইভেট পড়ানো ও গাইড বই বিক্রয়ের কথা স্বীকার করলেও তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগ অস্বীকার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সেলিম তালুকদার বলেন, এই মাদ্রাসার শিক্ষকদের বিষয়ে আগেও অভিযোগ শুনেছি। আপনারা যে তথ্য গুলো পেয়েছেন উল্লেখ করে সংবাদ আকারে প্রকাশ করুন। আমি জেলা মাধ্যমিক স্যারের সাথে পরামর্শ করে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্ৰহন করবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION