গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : সম্প্রতি Insight Post নামের একটি ফেসবুক পেইজে গোপালগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন শিকদারকে নিয়ে শনিবার (৩ অক্টোবর) ”গোপালগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন শিকদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ” শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রকাশিত হয়েছে।
ফটোকার্ডের শিরোনামের বিষয়ে কোনো তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
তবে এ খবরকে মিথ্যা বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রনোদিত দাবি করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন শিকদার।
তিনি Insight Post এ প্রকাশিত তথ্যদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, এনসিপি’র বড বাহিনী দ্বারা পেইজটি পরিচালিত হচ্ছে। অতিসত্বর আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সুজন বলেন, আমি ২০০৪ থেকে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করি। আমি ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ককের হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি।
সুজন জানান, দলের দায়িত্ব পালন করার কারনে বিগত আওয়ামীলীগ আমলে ৬টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে এবং এসব মামলার কারনে কারাবরণ করেছি। রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের চেষ্টা করে আমাকে জড়িয়ে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে এগুলি মনগড়া ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত গল্পকাহিনি।
চাঁদাবাজ ও হাইব্রিডরা আমার জন্য বর্তমানে সুবিধার রাজনীতি করতে পারছে না বলে উল্লেখ করে সুজন সিকদার বলেন, গত ৫ই আগষ্ট স্বৈরাচার হাসিনা পতনের পর থেকে কিছু দলীয় চাঁদাবাজ গোপালগঞ্জের বিভিন্ন সরকারি অফিস ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজী করার চেষ্টা করছে এবং মামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করার চেষ্টা করছে। যা আমি বাঁধা দেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আমার এই অবস্থানের কারনে কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।
এসব ঘটনার সাথে তার কোন ধরণের সম্পৃক্ততা নেই দাবী করে তিনি বলেন, এখানে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। দিন শেষে দেশ নায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় চাঁদাবাজ মুক্ত করার জন্য আমি সবসময় কাজ করব এবং আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সূত্র মতে, গোপালগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন শিকদার ২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করে।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগী-বৈঠা তান্ডবের স্বীকার হয়ে পরিবারের প্রায় সকল সদস্যই হামলা-মামলার স্বীকার হয়ে কারাবরণ করেছেন। গত ১৬ বছর আওয়ামী সরকারের নির্যাতন-নিপিড়নে শিকার হয়েছে এবং ৩ বার কারাবরণ করেছেন।
সুজন সিকদার গোপালগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক, গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সাবেক সহ-সাধারন সম্পাদক ও গোপালগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
Leave a Reply