1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
হরিজনদের সাথে বগুড়া ছাত্রলীগের একবেলা আহার গ্রহণ - Bangladesh Khabor
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১৪ শিক্ষকের মাদ্রাসায় ৫ শিক্ষার্থী, একজনও পাশ করেনি গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ৭৪ পরিবারের সদস্যদের মাঝে ৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সব ধর্মের মানুষের সমান মর্যাদায় বিশ্বাস করে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত এসএসসিতে এবার জিপিএ-৫ পেল ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন এসএসসির ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ এক ফ্যাসিবাদ তাড়িয়ে আরেক ফ্যাসিবাদ চায় না বাংলার জনগণ : জামায়াতে আমীর গোপালগঞ্জে মাত্রারিক্ত লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত সোনারগাঁয়ে আল মুজাহিদ মল্লিকের মাদকবিরোধী সভায় মুছলেকা দিয়ে মাদক ছাড়লেন আজিজুল হক গোপালগঞ্জকে মাদক মুক্ত জেলা গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ডিসি’র

হরিজনদের সাথে বগুড়া ছাত্রলীগের একবেলা আহার গ্রহণ

  • Update Time : রবিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২৬৭ জন পঠিত

মোঃ সবুজ মিয়া, বগুড়া: বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) ছাত্রলীগ । সাম্প্রদায়িকতা ও বৈষম্যকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বগুড়ায় হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষদের একবেলা আহারের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজনে হরিজনদের নিয়ে একসাথে বসে আহার করেন শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষেরা।

আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে শুক্রবার বিকেলে এই উদ্যোগ নেয় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) ছাত্রলীগ। কর্মসূচির আয়োজক ছিলেন শজিমেকের ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসাইন শোভন।

আয়োজকদের সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১১ ডিসেম্বর বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে এশিয়া হোটেলে বিরিয়ানির সাথে ঝোল চাওয়ায় হরিজন সম্প্রদায়ের এক তরুণকে ধাক্কা দিয়ে গরম তেলের কড়াইয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আমরা জানতে পারি, গরম তেলে ডান হাত ঝলসে গেছে ভুক্তভোগী তরুণ মিঠুন বাঁশফোরের। এ ছাড়া সংবাদমাধ্যম থেকে আরও জানা যায়, হরিজনদের চেয়ারে বসে খেতে দেওয়া হয় না, প্যাকেটে করে খাবার দেওয়া হয়।

কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ নেই। এই ভেদাভেদ দূর করতে মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। তাই সাম্প্রদায়িকতা ও বৈষম্যকে নিষ্পেষিত করে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে শজিমেক ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এ উদ্যোগ নেন।

আয়োজনে উপস্থিত হরিজন সম্প্রদায়ের একজন বলেন, ‘অন্য ধর্মের মানুষ যদি ওই পৌরসভার কাজ করে, ময়লার কাজ করে খাইতে পারে তাহলে আমরা কেন খেতে পারব না, আমরাও তো মানুষ। তো এটার জন্য আমরা যদি হোটেলে যাই, আমাগের যদি মারধর করে, এটা কী আইন?’

আয়োজক সাব্বির হোসাইন শোভন বলেন, আজকের সমাজ যদি বর্ণবাদী আচরণ করতে শুরু করে, তবে এই হরিজনেরা ইনসাফের জন্য কোথায় যাবে? তাই আমরা বগুড়ার মেডিকেল ছাত্রলীগ শপথ করেছি হরিজনদেন সাথে একবেলা আহার করার ব্যবস্থা করবো। তাদের সুখ-দুঃখের গল্প শুনব, আর আমরাও তাদের শোনাবো সাম্য ও শান্তির বাণী।

তিনি আরও বলেন, এ কর্মসূচি দিয়েই হয়তো আমাদের নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশের, স্মার্ট মেডিকেল ছাত্রলীগের পথচলার শুরু। এ সময় সহযোগীতায় ছিলেন শজিমেকের ৩য় বর্ষের জুম্মা খান। এ ছাড়াও একই প্রতিষ্ঠানের ২৯, ৩০, ৩১ তম ব্যাচের নিবেদিত ছাত্রলীগ কর্মীরা সহযোগীতা করেন।

বাংলাদেশে বসবাসকারী অবাঙালি দলিতদের সাধারণভাবে হরিজন বলা হয়। ব্রিটিশ আমলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা (১৮৩৮-১৮৫০), চা-বাগানের কাজ (১৮৫৩-৫৪), জঙ্গল কাটা, পয়ো নিষ্কাশন প্রভৃতি কাজের জন্য ভারতের নানা অঞ্চল থেকে দরিদ্র দলিত মানুষকে এ দেশে আনা হয়। তাদের থাকতে দেওয়া হয় কাজের জায়গায়, কলোনিতে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION