1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
জয়পুরহাটের কিডনি কেনাবেচা চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার ১ - Bangladesh Khabor
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আ.লীগ নেতা ফারুক গ্রেফতার বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল, দল ও সরকারের তিন গুরুত্বপূর্ণ পদে সম্ভাব্য উত্তরসূরি যারা চলতি মাসে আরও ৫ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বিএনপির স্বজনপ্রীতি দেখা যাচ্ছে: গোলাম পরওয়ার সেই ইউএনওকে প্রত্যাহার রোববার কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, জেলাজুড়ে উৎসবের আমেজ জয়পুরহাটের কিডনি কেনাবেচা চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার ১ আড়াইহাজারে ২শত চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ১৮ হাজার টাকা জরিমানা বিএনপি জনগণের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে: পাটওয়ারী সরকার কোনো ধরনের তথ্য বিভ্রান্তি করবে না: মন্ত্রী আমির খসরু

জয়পুরহাটের কিডনি কেনাবেচা চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার ১

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ জন পঠিত
ফারহানা আক্তার, জয়পুরহাট : জয়পুরহাটের কালাইয়ে কিডনি কেনাবেচা চক্রের মাফিয়া আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে কালাই থানা পুলিশ।
বুধবার রাতে বগুড়া সদর থানার পৌর পার্ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কালাই থানা পুলিশ গ্রেপ্তার আব্দুস সাত্তারকে আদালতে পাঠিয়েছে।
কিডনি কেনাবেচা সংক্রান্ত তার বিরুদ্ধে  ৫টি  মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার আব্দুস সাত্তার কালাই উপজেলার বহুতি গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার খলিফার ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার খুকশিয়া গ্রামের আব্দুল কাফির ছেলে মন্টু মিয়া গত ১৩ জুন জয়পুরহাটের আমলি ৫ নম্বর আদালতে কিডনি কেনাবেচার অভিযোগে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে কালাই থানায় মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
মামলার এজাহারে সূত্রে জানা যায়, আর্থিক সংকটে থাকা মন্টু মিয়াকে কিডনি বিক্রির বিনিময়ে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয় এবং পাসপোর্ট তৈরি করা হয়। এ বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকে তাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পর  নেপালে নিয়ে গিয়ে মেরি সিটি হাসপাতাল এ ভর্তি করা হয়।  সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার একটি কিডনি অপসারণ করা হয়। কয়েকদিন হাসপাতালে রাখার পর তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাইলে আসামিরা টাকা না দিয়ে বিভিন্নভাবে টালবাহানা করেন।
কালাই উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে মাফিয়া সাত্তারের নেতৃত্বে কিডনি বেচাকেনার দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের দরিদ্র ও ঋণগ্রস্ত মানুষকে আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বিক্রিতে উৎসাহিত করার অভিযোগ রয়েছে চক্রটির বিরুদ্ধে।
স্থানীয়ভাবে কিডনি কেনাবেচার নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে- মাত্রাই ইউনিয়নের ভেরেন্ডি, উলিপুর, সাতার, কুসুমসাড়া, অনিহার, ভাউজাপাতার, শিবসমুদ্র, পাইকশ্বর ও ইন্দাহার এবং উদয়পুর ইউনিয়নের বহুতি, মোহাইল, থল, বাগইল, মাস্তর, জয়পুর বহুতি, নওয়ানা বহুতি, দুর্গাপুর, উত্তর তেলিহার, ভুষা, কাশিপুর, বিনইল ও পূর্বকৃষ্টপুর এবং আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নের রাঘবপুর, বোড়াই, হারুঞ্জা, নওপাড়া ও বালাইট গ্রাম।
মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯-এর ৯ ধারায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। একই আইনের ১০(১) ধারায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি, ক্রয় বা এ কাজে সহায়তার জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
কালাই থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে কিডনি সংক্রান্ত মামলাটি গ্রহণের পর এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে বিশেষ অভিযানে বগুড়া সদর থানা এলাকা থেকে আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিডনি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত দালাল ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION