1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
ভোট ফুরোলেও ফুরসত নেই: বিজয়ী হয়েই গণমানুষের সেবায় ছুটছেন এস এম জিলানী - Bangladesh Khabor
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রীড়া মানুষকে শৃঙ্খলাবোধ, সহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দেয়: প্রধানমন্ত্রী জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন  অতীতের ১৭ বছরে এ অঞ্চলের মানুষ তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারেনি : এমপি জিলানী ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন গোপালগঞ্জে এলজিইডি’র নবনিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব গ্রহণ ও বদলী জনিত বিদায়ী প্রকৌশলীকে সংবর্ধনা প্রদান সোনারগাঁয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাকির হোসেন বাবু’র গণসংযোগ  গাইবান্ধায় র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ২১৩ বোতল এসকাফ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি

ভোট ফুরোলেও ফুরসত নেই: বিজয়ী হয়েই গণমানুষের সেবায় ছুটছেন এস এম জিলানী

  • Update Time : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩১ জন পঠিত

কামরুল হাসান, কোটালীপাড়া : নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর যেন কোনো ফুরসত নেই গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া–টুঙ্গিপাড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এস এম জিলানীর। নির্বাচনে বিজয়ী হয়েও দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছেন দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা, গ্রাম ও জনপদের পথে-প্রান্তরে।

নির্বাচনের আগে মানুষের কাছে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস নিয়ে এখন তিনি সরাসরি মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে এই আসন থেকে নির্বাচন করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী। মনোনয়ন পাওয়ার আগেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালান। মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া, বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তিনি দ্রুত সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হন।
রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই আসনটি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯৮৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা আটবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই আসনেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেন বিএনপির প্রার্থী এস এম জিলানী।নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে এস এম জিলানী পেয়েছেন ৬০ হাজার ৯৯১ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৩৯ ভোট।কোটালীপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলি দাড়িয়া বলেন, গত এক বছর ধরে এস এম জিলানী ভাই কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে বেড়িয়েছেন। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গেছেন, মন্দির, মসজিদ ও গির্জার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই আসনে আগে কোনো প্রার্থীকে এভাবে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইতে দেখা যায়নি। তাছাড়া জিলানী ভাইয়ের সৌহার্দপূর্ণ আচরণ এবং মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থাকার কারনে এই আসনের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তিনি। মূলত এই কারণেই দুই উপজেলার মানুষের মধ্যে তার আস্থা তৈরি হয়েছে এবং নির্বাচনে তারই প্রতিফলন হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন।
নির্বাচনের পরও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে তিনি মানুষের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করছেন, ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন। অনেক জায়গায় নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিতেও তাকে দেখা যাচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নির্বাচনের আগে যেভাবে মানুষের কাছে গিয়েছিলেন, নির্বাচনের পরও ঠিক একইভাবে মানুষের পাশে থাকছেন তিনি। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে—এমন একজন জনপ্রতিনিধিই তারা চেয়েছিলেন।
বিজয়ী হওয়ার পর ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এমপি এস এম জিলানী বলেন, আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি জনগণের সেবা করার জন্য। এই বিজয় আমার একার নয়, এটি কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার সর্বস্তরের মানুষের বিজয়। আপনারা আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন, আমি তা রক্ষা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় আমি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তা বাস্তবায়নে করা হবে। রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থানসহ প্রতিটি খাতে দৃশ্যমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই। উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ পায়—সেটাই হবে আমার প্রথম লক্ষ্য।”দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, আমি সবার এমপি। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি—সবার কল্যাণেই কাজ করবো। ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, জনগণের স্বার্থই হবে আমার রাজনীতির মূল ভিত্তি।
স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, আমি নিজে কোনো দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। সরকারি বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন সঠিকভাবে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে আমি কঠোর নজরদারি রাখবো। ঠিকাদারি কাজ থেকে শুরু করে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি—সবখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

গোপালগঞ্জ জেলার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গোপালগঞ্জ জেলার উন্নয়নের বিষয়ে কোনো কার্পণ্য না করার নির্দেশনা দিয়েছেন। দেশের অন্যান্য উন্নত জেলার মতো গোপালগঞ্জও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবে এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ জেলার প্রতি কোনো বৈষম্য রাখা হবে না।তিনি আরও বলেন, আমার দরজা সবসময় সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকবে। মানুষের সমস্যা, দাবি ও পরামর্শ আমি গুরুত্বের সঙ্গে শুনবো।জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রেখে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে চাই।নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যের এমন সক্রিয় উপস্থিতি ও মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারে কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

এলাকার মানুষ মনে করছেন, প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত হলে এই অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION