1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে গরুর হাল - Bangladesh Khabor
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপি জনগণের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে: পাটওয়ারী সরকার কোনো ধরনের তথ্য বিভ্রান্তি করবে না: মন্ত্রী আমির খসরু প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি, গ্রেফতার ৬ জন রিমান্ডে সোনারগাঁয়ে ১টি চুনা কারখানা ধ্বংস ও ১৬শ চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান জয়পুরহাটের হত্যা মামলার ২ আসামি চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে ২ টি চুনা কারখানা গুড়িয়ে দেয় ও অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ৮ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দিল সরকার রাষ্ট্রপতি পদে এখনও প্রার্থী ঠিক করেনি বিএনপি: চিফ হুইপ

লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে গরুর হাল

  • Update Time : শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৩৮ জন পঠিত
মোঃহাসমত উল্লাহ, লালমনিরহাট : লালমনিরহাট জেলায় আর দেখা যায়না কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল, হাতে জোড়া গরুর দড়ি- এই ছিল একসময় গ্রামবাংলার চিত্র। ভোর হলেই গ্রামাঞ্চলের কৃষক কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল নিয়ে জমিতে হাল চাষের জন্য বেরিয়ে পড়তেন।
বর্তমানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন নতুন যন্ত্র আবিষ্কারের ফলে কৃষকদের জীবনেও এসেছে নানা পরিবর্তন।
বদলে গেছে তাদের জীবন-যাত্রার মান। আর এই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে লালমনিরহাট জেলায়। এখন আর কৃষকদের কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল ও হাতে জোড়া গরুর দড়ি দেখা যায় না। জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাণিজ্যিকভাবে কৃষকেরা গবাদিপশু পালন করতেন হাল চাষের জন্য। আবার কিছু মানুষ নিজের জমিজমা না থাকলেও পেশা হিসেবে গরু দিয়ে হালচাষ করতেন। বিঘাপ্রতি চুক্তি করে অন্যের জমি চাষাবাদ করে নিজের পরিবারের ভরণ-পোষণ করতেন তারা। কিন্তু বর্তমানে লাঙ্গলের হাল চাষ আর চোখে পড়ে না।
কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের সতির পাড় গ্রামের এক জন কৃষক বলেন, গরু দিয়ে জমি চাষ করাই আমার পেশা। তবে এখন আর গরুর হাল দিয়ে জমি চাষাবাদ করেন না।
তিনি আরও বলেন, ছোট বেলায় বাবার সাথে হাল চাষের কাজ করতাম। বাড়িতে হাল চাষের বলদ থাকত ২-৩ জোড়া।
তিনি বলেন, গরু দিয়ে হাল চাষের অনেক উপকারিতা ছিল। লাঙ্গলের ফলা মাটির অনেক গভীরে যায় তাই জমির মাটি ভালো আলগা ও নরম হয়, ধান চাষের জন্য কাদাও অনেক ভালো হয়। গরু দিয়ে হাল চাষ করলে জমিতে ঘাসও কম হয়। আর ফলনও ভালো হতো। লাঙ্গল দিয়ে প্রতিদিন জমি চাষ করা সম্ভব হতো প্রায় ৪৪ শতাংশ। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে জমি চাষ করার পদ্ধতি এখন বদলে গেছে। নতুন নতুন মেশিনের সাহায্যে কৃষকরা কম সময়ে ও কম খরচে জমি চাষাবাদ করছেন। তাই কালের বিবর্তনে এখন হারিয়ে যেতে বসেছে গরু দিয়ে সেই হাল চাষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক সব যন্ত্রপাতি দিয়ে চলছে জমি চাষাবাদের কাজ। সেই সঙ্গে কৃষকেরা এখন গবাদিপশু পালন না করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। এতে আবহমান গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ প্রায় বিলুপ্তির পথে। কৃষিতে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক পরিবর্তন।
কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন বলেন, বর্তমানে কৃষিতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। কৃষি কাজেও প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। যে কৃষি জমিতে বছরে দুখন্দের আবাদ করা হতো সেই জমিতে এখন তিন খন্দেও আবাদ করা হচ্ছে। সময়ের প্রয়োজনে মানুষ এখন লাঙ্গল দিয়ে হাল চাষের পরিবর্তে ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION