1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে গরুর হাল - Bangladesh Khabor
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনৈতিকভাবে দমন করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাপকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু জামায়াতকে নয়: ফজলুর রহমান প্রতিবেশী কোনো দেশের জমি দখল করতে চায় না ভারত: রাজনাথ সিং পলাশবাড়ীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কোটালীপাড়ায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর পিলারে ধাক্কা, নিহত ১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ সংবিধানের দুই অনুচ্ছেদে গণভোট চায় বিএনপি কাশিয়ানীতে ১৯৮ পিচ ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা জুয়েল গ্রেপ্তার  কোটালীপাড়ায় ফের বহিষ্কার হলেন বিতর্কীত যুবদল নেতা সুজন মোল্লা বিপিএম-সেবা পদক পেলেন গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে গরুর হাল

  • Update Time : শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪২ জন পঠিত
মোঃহাসমত উল্লাহ, লালমনিরহাট : লালমনিরহাট জেলায় আর দেখা যায়না কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল, হাতে জোড়া গরুর দড়ি- এই ছিল একসময় গ্রামবাংলার চিত্র। ভোর হলেই গ্রামাঞ্চলের কৃষক কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল নিয়ে জমিতে হাল চাষের জন্য বেরিয়ে পড়তেন।
বর্তমানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন নতুন যন্ত্র আবিষ্কারের ফলে কৃষকদের জীবনেও এসেছে নানা পরিবর্তন।
বদলে গেছে তাদের জীবন-যাত্রার মান। আর এই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে লালমনিরহাট জেলায়। এখন আর কৃষকদের কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল ও হাতে জোড়া গরুর দড়ি দেখা যায় না। জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাণিজ্যিকভাবে কৃষকেরা গবাদিপশু পালন করতেন হাল চাষের জন্য। আবার কিছু মানুষ নিজের জমিজমা না থাকলেও পেশা হিসেবে গরু দিয়ে হালচাষ করতেন। বিঘাপ্রতি চুক্তি করে অন্যের জমি চাষাবাদ করে নিজের পরিবারের ভরণ-পোষণ করতেন তারা। কিন্তু বর্তমানে লাঙ্গলের হাল চাষ আর চোখে পড়ে না।
কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের সতির পাড় গ্রামের এক জন কৃষক বলেন, গরু দিয়ে জমি চাষ করাই আমার পেশা। তবে এখন আর গরুর হাল দিয়ে জমি চাষাবাদ করেন না।
তিনি আরও বলেন, ছোট বেলায় বাবার সাথে হাল চাষের কাজ করতাম। বাড়িতে হাল চাষের বলদ থাকত ২-৩ জোড়া।
তিনি বলেন, গরু দিয়ে হাল চাষের অনেক উপকারিতা ছিল। লাঙ্গলের ফলা মাটির অনেক গভীরে যায় তাই জমির মাটি ভালো আলগা ও নরম হয়, ধান চাষের জন্য কাদাও অনেক ভালো হয়। গরু দিয়ে হাল চাষ করলে জমিতে ঘাসও কম হয়। আর ফলনও ভালো হতো। লাঙ্গল দিয়ে প্রতিদিন জমি চাষ করা সম্ভব হতো প্রায় ৪৪ শতাংশ। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে জমি চাষ করার পদ্ধতি এখন বদলে গেছে। নতুন নতুন মেশিনের সাহায্যে কৃষকরা কম সময়ে ও কম খরচে জমি চাষাবাদ করছেন। তাই কালের বিবর্তনে এখন হারিয়ে যেতে বসেছে গরু দিয়ে সেই হাল চাষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক সব যন্ত্রপাতি দিয়ে চলছে জমি চাষাবাদের কাজ। সেই সঙ্গে কৃষকেরা এখন গবাদিপশু পালন না করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। এতে আবহমান গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ প্রায় বিলুপ্তির পথে। কৃষিতে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক পরিবর্তন।
কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন বলেন, বর্তমানে কৃষিতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। কৃষি কাজেও প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। যে কৃষি জমিতে বছরে দুখন্দের আবাদ করা হতো সেই জমিতে এখন তিন খন্দেও আবাদ করা হচ্ছে। সময়ের প্রয়োজনে মানুষ এখন লাঙ্গল দিয়ে হাল চাষের পরিবর্তে ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION