1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
সাংবাদিক পরিবারের সদস্য হওয়ায় বাউফলে বিদ্যালয়ে ভর্তিতে বাঁধা - Bangladesh Khabor
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনৈতিকভাবে দমন করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাপকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু জামায়াতকে নয়: ফজলুর রহমান প্রতিবেশী কোনো দেশের জমি দখল করতে চায় না ভারত: রাজনাথ সিং পলাশবাড়ীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কোটালীপাড়ায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর পিলারে ধাক্কা, নিহত ১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ সংবিধানের দুই অনুচ্ছেদে গণভোট চায় বিএনপি কাশিয়ানীতে ১৯৮ পিচ ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা জুয়েল গ্রেপ্তার  কোটালীপাড়ায় ফের বহিষ্কার হলেন বিতর্কীত যুবদল নেতা সুজন মোল্লা বিপিএম-সেবা পদক পেলেন গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাংবাদিক পরিবারের সদস্য হওয়ায় বাউফলে বিদ্যালয়ে ভর্তিতে বাঁধা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২০৩ জন পঠিত
কহিনুর বেগম, পটুয়াখালী : পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় বিদ্যালয়ের অনিয়মের বিরুদ্ধে নিউজ করায় সাংবাদিক পরিবারের সদস্য ওই বিদ্যালয়ে ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন কর্তৃপক্ষ।
এমন অভিযোগ উপজেলার ১০নং কালাইয়া ইউনিয়নের কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
ওই ছাত্রের নাম মোঃ সাইমুন ইসলাম। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম সুলতান আহমেদ। তিনি কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা বিষয়ক শিক্ষক।
জানা গেছে, ওই কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রশংসাপত্রে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ব্যপারে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে তদন্ত শুরু হয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে।  ওই প্রতিবেদনের জন্য শিশু সাংবাদিক মুনতাসির তাসরিপকে দাই করে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার সকালে মুনতারের চাাচা রহমত আলী (সুজন) তার ছেলে সাইমুনকে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে নিয়ে ভর্তি করতে বিদ্যালয়ে আসেন। কিন্তু বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক সুলতান আহমেদ তাকে ভর্তি করাননি।
এ বিষয়ে রহমত আলী বলেন, ‘আমি ওই স্কুলের অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবেদনের ব্যাপারে কিছু জানতাম না। আমার ভাইয়ের ছেলে এই স্কুলের ছাত্র ছিল, তাই আমি তার নাম বলেছি। আর তাতেই ক্ষেপে গেল সুলতান স্যার। কাগজপত্র ছুরে ফেলে দেন তিনি।
অভিযুক্ত শিক্ষক সুলতান আহম্মেদ বলেন, ‘আমাকে প্রধান শিক্ষক মুনতাসিরের কোন আত্মীয়-স্বজন ভর্তি করতে নিষেধ করেছেন। তাই আমি ভর্তি করিনি।
এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী শিরিন বলেন, ‘ওই ছেলের সাথে কি হয়েছে আমি জানি না। এমন কোন নির্দেশ আমি দেইনি।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল হক বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION