1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
খোলা আকাশের নিচে রাত কাটানো ৮৩ পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসক - Bangladesh Khabor
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের চার জেলায় নতুন পুলিশ সুপার জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের কথা মাথায় রেখেই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি: তথ্য উপদেষ্টা শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতা করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিসি ফরিদা দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ গোপালগঞ্জের নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী সরদার আকিবুল ইসলাম: সম্ভাবনা, প্রত্যাশা ও জনসম্পৃক্ততার সমীকরণ বাউফলে নিজ কার্যালয়ে বসেন না স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ দাম বাড়লো এলপিজির

খোলা আকাশের নিচে রাত কাটানো ৮৩ পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসক

  • Update Time : শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৬২১ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট: কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের পোড়ারচর গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে ঘর-বাড়ি বিলীন হয়ে যায় ৮৩ পরিবারের। ফলে গত ২০দিন ধরে খোলা আকাশে নিচেই দিনযাপন করে আসছে তারা। এসব পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন।

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) ৮৩ পরিবারকেই শুকনো খাবার ও শীতবস্ত্র দেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম। একই সঙ্গে তাদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙনে গত দুই মাসে যাত্রাপুর ইউনিয়নের পোড়ারচর গ্রামটির পঁচানব্বইভাগ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সর্বশেষ ৪-৫ ডিসেম্বর ভাঙনে অনেক ঘর-বাড়ি বিলীন হয়ে যায়। এখন সামান্য অবশিষ্ট জায়গায় ঘর-বাড়ি সরিয়ে খোলা আকাশে আশ্রয় নিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। বিষয়টি নজরে এলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) উত্তম কুমার রায়, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেদুল ইসলাম, সদর এসিল্যান্ড ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান। সেখানে দুর্গতদের খোঁজ-খবর নেন। তাদের শুকনো খাবার ও শীতবস্ত্র তুলে দেন।

এ সময় জেলা প্রশাসককে ওই গ্রামের হাসেম, কামরুল ও সৈয়দ জানান, বর্তমানে আমাদের নিজস্ব কোনো জায়গা জমি নাই। সব ব্রহ্মপুত্রের পেটে চলে গেছে। এখন পাশেই ৪০০ বিঘা সরকারি খাসজমি আছে। আমরা সেখানে বাড়ি নিয়ে গেলে প্রভাবশালীরা ঘরবাড়ি নদীতে ভাসিয়ে দেয়। তারা আমাদের আশ্রয় না দেওয়ায় এখানে আমরা প্রায় ২০দিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

ওই গ্রামের শরিফুল মাস্টার বলেন, যাত্রাপুর মেইনল্যান্ড এলাকার চারটি প্রভাবশালী পরিবার ওই ৪০০ বিঘা জমি ভোগদখল করে আসছে। আমাদের জন্য সামান্য একটু জায়গাও ছেড়ে দিচ্ছে না।

এসব শোনার পর জেলা প্রশাসক ওই খাস জমিতে তাদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জাগো নিউজকে বলেন, সরেজমিনে তাদের সার্বিক অবস্থাটা দেখলাম। আপাতত তাদের কিছু শুকনো খাবার ও শীতবস্ত্র দেওয়া হয়েছে। নদী ভাঙনে এরা চরম ঝুঁকির মধ্যে আছে। পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি খাস চর আছে সেখানে তাদের বসবাসের ব্যবস্থা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION