1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
লকডাউনের পঞ্চম দিন মানুষের অবাধ চলাচল সড়ক ও মহাসড়কে - Bangladesh Khabor
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জয়পুরহাটে শ্রমিক নেতা মাহমুদুল হাসান হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন পলাশবাড়ীতে র‍্যাবের অভিযানে ১,২৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলেন পলক নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করতেই দলীয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে : আখতার শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে: মির্জা ফখরুল সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রীড়া মানুষকে শৃঙ্খলাবোধ, সহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দেয়: প্রধানমন্ত্রী জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন  অতীতের ১৭ বছরে এ অঞ্চলের মানুষ তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারেনি : এমপি জিলানী

লকডাউনের পঞ্চম দিন মানুষের অবাধ চলাচল সড়ক ও মহাসড়কে

  • Update Time : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
  • ৪০৪ জন পঠিত

বাংলাদেশ খবর ডেস্ক,

লকডাউনের পঞ্চম দিন মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারা দেশের সড়ক-মহাসড়ক এবং অলিগলিতে মানুষের অবাধ চলাচল ছিল। ব্যক্তিগত গাড়ি, অফিসের গাড়ি, মোটরবাইক, রিকশা ও ভ্যানগাড়িতে চড়ে মানুষ চলাচল করেছে। অলিগলিতে দোকানপাট খোলা দেখা গেছে। এসব দোকানপাটে ক্রেতাদের ভিড়ও ছিল।

সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মানুষের অবাধ চলাচল দেখা গেছে। কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া, আটিবাজার, ঘাটারচর, ওয়াশপুর এলাকার মানুষ ঢাকা প্রবেশ করে বছিলা ব্রিজ হয়ে। ব্রিজের বছিলা অংশে একটি চেকপোস্ট রয়েছে। সেখানে পুলিশের কঠোর নজরদারি ছিল। পুলিশের আগ্রহ ছিল মোটরসাইকেল এবং গাড়ির দিকে। মোটরসাইকেলে দু’জন যাত্রী দেখলেই আটকে দেওয়ার পাশাপাশি মামলা দেওয়া হয়। একই চিত্র ছিল প্রাইভেট গাড়ির ক্ষেত্রে।

যানবহন বেশি থাকায় গাবতলী-বাবুবাজার বেড়িবাঁধ সড়কের মোহাম্মদপুর চৌরাস্তায় ট্রাফিক সিগনালের প্রয়োজন হয়। এই সড়কে রিকশা ও ভ্যানগাড়িতে করে অনেক মানুষ রায়ের বাজার, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর এবং লালবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় চলাচল করেছে। পুরান ঢাকার আজিমপুর, বকশিবাজার, লালবাগ চৌরাস্তা, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা, ফুলবাড়ীয়াসহ আশপাশের সড়কে গাড়ি, রিকশা, মোটরবাইক নিয়ে মানুষ চলাচল করেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) জরুরি সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেখানে ছোটখাটো নানা প্রয়োজনে মানুষ আসা-যাওয়া করছে। একই চিত্র ছিল রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, পুরান ঢাকা, বাড্ডা, গুলশান, বনানী, বারিধারা, কুড়িল, প্রগতি সরণি, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কাওরান বাজার, মতিঝিল, গুলিস্তানসহ অন্যান্য এলাকায়।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, যাত্রাবাড়ী মোড়, যাত্রাবাড়ী ও কদমতলী থানা এলাকার অলিগলি, পাড়া-মহল্লায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়াই মানুষ রিকশা, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনে চলাচল করছে। যাত্রাবাড়ী মোড়, দোলাইরপাড়, শ্যামপুর, বড়ইতলা, বিক্রমপুর প্লাজা, জনতাবাগ, দনিয়া, বর্ণমালা স্কুল রোডসহ বিভিন্ন স্থানে দোকানপাট খোলা দেখা গেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী ও সাইনবোর্ড থেকে পিক-আপ, অ্যাম্বুলেন্স ও প্রাইভেটকারে দূরপাল্লার যাত্রীদের ডেকে ডেকে উঠানো হয়। পুলিশের চেকপোস্টগুলোকে ফাঁকি দিয়েই যানগুলো গন্তব্যে চলে যায়। তবে চালকদের বক্তব্য পুলিশকে ম্যানেজ করেই তারা সড়কে যাত্রীদের আনা নেওয়া করছেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শনিরআখড়া, রায়েরবাগ, মাতুয়াইল সাইনবোর্ড, ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী জোনে ট্রাফিক পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালায়। এদিন সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যেতে দেখা যায়নি।

সিলেট ব্যুরো জানায়, পঞ্চম দিনে সিলেট নগরীর বিভিন্ন সড়কে রিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনসমাগমও বাড়তে থাকে। হেঁটে গন্তব্যে ছোটেন অনেকে। তবে বরাবরের মতোই স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদাসীন ছিল মানুষ। বিধিনিষেধ কার্যকর করতে নগর ও জেলাজুড়েই ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা।

নগরীর প্রবেশদ্বার কুমারগাঁও তেমুখী, বিমানবন্দর সড়ক, আবদুস সামাদ আজাদ চত্বর (চন্ডিপুল), হুমায়ুন রশিদ চত্বর ও টিলাগড় এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। চেকপোস্টগুলোতে পুলিশ রিকশা, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন আটকে যাত্রীদের বাইরে বের হওয়ার কারণ জানতে চায়। সদুত্তর না পেলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

বরিশাল ব্যুরো জানায়, কঠোর লকডাউনের পঞ্চম দিন বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদর রোড, গির্জা মহল্লা, চকবাজার, কাঠপট্টি এলাকায় অন্যান্য দিনের তুলনায় জনসমাগম বেশি ছিল। অনেকের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। এসব এলাকার বেশ কিছু দোকানদার দরজা অর্ধেক খুলে বেচাকেনা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেখলেই দোকান বন্ধ করে পার্শ্ববর্তী অলিগলিতে অবস্থান নেন ক্রেতা বিক্রেতারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চলে যাওয়ার পর ফের দোকান খুলে বেচাবিক্রি করেন। নগরবাসীকে ঘরে রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের একাধিক টিম মাঠে ছিল।

এদিকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে বরিশালে পাঁচ ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তুষার মেডিকেল হল ১০ হাজার, দি মেডিকাস পাঁচ হাজার ?এবং মেসার্স এনাম মেডিকেলে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ১ থেকে ৭ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে তা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়। পবিত্র ঈদুল আজহার কারণে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। ওই সময়ই বলে দেওয়া হয় ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন পালন করা হবে। কঠোর লকডাইনের পঞ্চম দিন ছিল মঙ্গলবার। ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION