1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
স্কুলের নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করায় শিক্ষিকার নামে অপপ্রচার - Bangladesh Khabor
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চুয়েটের ভিসি একজন গুন্ডা: হাসনাত জয়পুরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত এসএসসিতে ফেল করাদের জন্য সুখবর নেই এ বছর ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ স্কুলের নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করায় শিক্ষিকার নামে অপপ্রচার বাউফলে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের লক্ষ্যে প্রেস কনফারেন্স রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিমানমন্ত্রীর নির্দেশ লক্ষহীন মানুষ, মাঝি ছাড়া নৌকার মত: এমপি জিলানী বাউফলে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ১৫ জেলে আটক, ৭ জনের কারাদণ্ড সরকারবিরোধী চক্রান্ত : সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে

স্কুলের নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করায় শিক্ষিকার নামে অপপ্রচার

  • Update Time : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৫ জন পঠিত

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের ১৬১নং কলসী ফুকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও শিক্ষার মান উন্নয়নের চেষ্টা করায় এক সহকারী শিক্ষিকার নামে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

অপপ্রচারের শিকার হওয়া ওই সহকারী শিক্ষিকার নাম মিতু রহমান। সে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বিদ্যালয়টিতে সুনামের সাথে কর্মরত থেকে দায়িত্ব পালন করছে। শিক্ষিকা মিতু রহমান অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করি, আমি কখনো আমার দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলা করি না। আমি বিদ্যালয়টি নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করি। বিষয়টি কিছু মানুষের কাছে ভালো লাগছে না। এ কারনেই আমার নামে বানোয়াট ও মনগড়া অভিযোগ দিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এছাড়াও একটি নিবন্ধনহীন অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রচার করে আমার মানহানি করার চেষ্টা হয়েছে। আমি অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

সরেজমিনে পরিদর্শন করে জানা গেছে, শিক্ষিকার নামে অপ্রচারের এ ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়টির কোমলমতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি মিতু ম্যাডামের জনপ্রিয়তা ও স্কুলে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অব্যাহত রাখায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিহিংসামূলক একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্র অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা আরো জানান, ৪র্থ শ্রেণীর নুসরাত ফারিয়া নামের এক দুষ্টু ছাত্রী দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ থেকে টাকা চুরি, কলম চুরিসহ বিভিন্ন অনিয়ম, অসদাচরণ ও অনৈতিক কথাবার্তা বলে স্কুলের পরিবেশ নষ্ট করছিলো। বিষয়টি নিয়ে মিতু ম্যাডামসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ ওই ছাত্রীকে বুঝিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী নিয়ন্ত্রণে না আসলে তার অভিভাবকদের কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে খবর পাঠিয়ে স্কুলে আসতে বলে। ওই সময় নুসরাত ফারিয়ার নানু, বাবা-মা খবর নিয়ে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহারের পাশাপাশি গালিগালাজ করে। এতে শিক্ষার্থীরা রাগ করে নুসরাত ফারিয়ার সাথে কথাবার্তা ও শ্রেণী কক্ষে তার পাশে বসা বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি নিয়ে নুসরাত ফারিয়া লজ্জায় পড়ে এবং সঙ্গহীনতায় ভোগে। একপর্যায়ে স্কুলে অনিয়মিত হওয়া শুরু করে। কিছুদিন পরে ওই শিক্ষার্থীর বাবা সাজু মোল্লা ওই স্কুলের থেকে ছাড়পত্র (টিসি) নিয়ে ৯৯ নম্বর ফুকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক প্রতিবেদককে জানান, কয়েক বছর আগে ৯৯ নং ফুকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিয়ন বদরুল আলম (বদিয়ার) এর ভাতিজা সুলতান সর্দার ১৬১ নং কলসী ফুকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত থাকা অবস্থায় বেয়াদবি আচরণ ও বেপরোয়া চলাফেরা করার কারণে শিক্ষিকা মিতু রহমান শাসন করেন। তৎকালীন সময়ে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষিকার সাথে কোন্দল সৃষ্টি করেন বদরুল আলম। পরে এলাকাবাসী ও শিক্ষা কর্মকর্তারা বিষয়টির সুরাহা করলেও খুশি হতে পারেনা বদরুল। তাই বর্তমানের এই নুসরাত ফারিয়ার স্কুল ত্যাগের বিষয়টিকে রং ঢং মাখিয়ে অভিভাবক সাজু মোল্লাকে ফুঁসলিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে বানোয়াট অভিযোগ করিয়েছে। এগুলো সব বদরুলের রাগ-ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

১৬১ নং কলসী ফুকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সেলিনা খাতুন জানান, নুসরাত ফারিয়ার বাবা আমার কাছে বাচ্চার অসুস্থতা ও বিভিন্ন অসুবিধার কথা বলে টিসি নিতে আসে, তাকে আমি বুঝানোর চেষ্টা করি। তিনি আমাকে জোরাজুরি করলে টিসি দিতে বাধ্য হই। তিনি টিসি নেওয়ার সময় আমার কাছে কোন শিক্ষকের নামে অভিযোগ করেনি। পরে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে জেনেছি তার মেয়ে নাকি শিক্ষিকার নির্যাতনে স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আমার জানা মতে এধরনের কোন অনিয়ম আমাদের বিদ্যালয়ে ঘটেনি। আমার কোন শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাত্র- ছাত্রীদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে না।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সেলিম হোসেন বলেন, আমার মেয়েও এই স্কুলের ছাত্রী। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা খুবই আন্তরিক। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কোন অনিয়ম অব্যবস্থাপনা দেখিনি। আমার মেয়ের কাছে গোপনে শিক্ষিকা মিতু রহমানের আচরণের বিষয়ে জেনেছি, তিনি একটু নিয়মে কড়াকড়ি করলেও শিক্ষার্থীদের কোন প্রকার শারীরিক নির্যাতন করেন না।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিও) পলাশ সর্দার বলেন, শিক্ষক মিতু রহমানের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। এটি অপপ্রচার না সত্য তদন্ত না করে বলা কঠিন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তদন্ত শুরু হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি না পাওয়া যায় তাকে দায়মুক্তি দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION