নিহত লাল বাদশা আলমপুর ইউনিয়নের আলমপুর আদর্শ গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে এবং আহত মাইদুল একই এলাকার ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাঁরা দুজন পরস্পর বন্ধু।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,শনিবার সকালে মহব্বতপুর পদ্মপুকুর এলাকার একটি রাস্তার মাঠের পাশে দুই যুবককে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ক্ষেতলাল থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাল বাদশাকে মৃত অবস্থায় এবং মাইদুলকে জীবিত উদ্ধার করে। মাইদুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাইদুল জানান, জামালগঞ্জ চারমাথা এলাকা থেকে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের ডেকে নিয়ে একটি নির্জন বাড়িতে বন্দি করে রাখে। সেখানে তাঁদের ওপর বেধড়ক মারধর ও অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে দুজন অচেতন হয়ে পড়লে হামলাকারীরা তাঁদের মাঠের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) মুক্তারুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে মৃত ও অপরজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চোর সন্দেহে তাঁদের ওপর এই নির্যাতন চালানো হয়েছে। এছাড়া অন্য কোনো কারণ থাকলে সেটিও পুলিশ উদঘাটন করছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ৪০০ শয্যা জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহতকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
Leave a Reply