1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
"সবাই মিলেমিশে খাই" বলা জয়পুরহাটের সেই খাদ্য কর্মকর্তাসহ বরখাস্ত ৩ - Bangladesh Khabor
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
“সবাই মিলেমিশে খাই” বলা জয়পুরহাটের সেই খাদ্য কর্মকর্তাসহ বরখাস্ত ৩ বাংলাদেশে ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন প্রস্তাব ভারতীয় সংসদীয় কমিটির বগালেকে পাহাড়ি খাদে দুই পর্যটকের লাশ আমার ‘সব তথ্য ফাঁস’ করে দাও: পাটওয়ারীকে রাশেদ ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান মিলল কেরানীগঞ্জে উখিয়ায় ট্রাম্পের বিশেষ দূত, প্ল্যাকার্ড দেখাল রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে উগ্রবাদ-মৌলবাদের কোনো স্থান নেই: মির্জা ফখরুল নিজেই গাড়ি চালিয়ে ডিএনসিসির ‘পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম’ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী বন্দরে মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দােয়া ও সমথর্ন প্রত্যাশী কাউছার আহম্মেদ টুঙ্গিপাড়ায় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি থেকে মাটি কাটার অভিযোগ, ঝুঁকিতে এলজিইডি’র সড়ক

“সবাই মিলেমিশে খাই” বলা জয়পুরহাটের সেই খাদ্য কর্মকর্তাসহ বরখাস্ত ৩

  • Update Time : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ২৫ জন পঠিত
ফারহানা আক্তার, জয়পুরহাট : জয়পুরহাটের কালাইয়ে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য বরাদ্দ আটা আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাসহ তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।
বরাদ্দ করা আটা কম দেওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার ‘সবাই মিলেমিশে খাই’ মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ালে বুধবার তাদের বরখাস্ত করা হয় বলে জানান জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ।
বরখাস্তকৃতরা হলেন- কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. মাহমুদুন্নবী সরকার এবং সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিন।
খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, ওএমএস কর্মসূচির আওতায় কালাই উপজেলায় প্রতিদিন দুই টন আটা ও দুই টন চাল বরাদ্দ রয়েছে। এ কর্মসূচিতে একজন সুবিধাভোগী ২৭০ টাকায় পাঁচ কেজি আটা ও পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারেন।
তবে সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, প্রতিদিন বিক্রয়কেন্দ্রে ৪০ বস্তা আটা থাকার কথা থাকলেও সেখানে রাখা হতো মাত্র ২০ বস্তা। ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক নিম্নআয়ের মানুষ চাল পেলেও আটা না পেয়ে ফিরে যেতেন। অবশিষ্ট ২০ বস্তা আটা খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করে আত্মসাৎ করা হত বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে সোমবার সকালে এক ব্যক্তি বিক্রয়কেন্দ্রে গিয়ে নির্ধারিত ৪০ বস্তার পরিবর্তে মাত্র ২০ বস্তা আটা দেখতে পান। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললে সেখানে কর্মরতরা ২০ বস্তা পাওয়ার কথাই জানান। এরপর অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসে।
পরে এ বিষয়ে কয়েকজন সাংবাদিক বক্তব্য নিতে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে গোপনে ধারণ করা একটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “এত কথা কওয়া লাগবে ক্যা, কয় টন বরাদ্দ, এতদিন পর আসছে। সবাই মিলেমিশে খাই। এখানে তেমন কিছু নাই; যা হবে ভাই-ব্রাদার মানুষ, সবাই মিলে মিশে খামু। আর আপনারা যদি কন বন্ধ করে দিতে, কালকে থেকে বন্ধ করে দিমু।”
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ালে সমালোচনার মুখে পড়ে খাদ্য বিভাগ। ঘটনার পর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে আটা আত্মসাৎ এবং দায়িত্বে অবহেলার সত্যতা পাওয়া গেলে মহাপরিচালকের নির্দেশে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা, খাদ্য পরিদর্শক ও সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শককে সাময়িক বরখাস্ত এবং প্রত্যাহার করা হয় বলে জানান তিনি।
তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ছাড়াও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন এই খাদ্য কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION