1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
জয়পুরহাটের হাসপাতালে রোগী ফেলে ডায়গনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার সময় জনতার হাতে অবরুদ্ধ ডাক্তার - Bangladesh Khabor
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতারণার মামলায় বিদিশা এরশাদ গ্রেফতার জয়পুরহাটের হাসপাতালে রোগী ফেলে ডায়গনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার সময় জনতার হাতে অবরুদ্ধ ডাক্তার বল্লমঝাড়ে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও গোপালগঞ্জে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ গোবিপ্রবিতে মাসের ব্যবধানে ২ ভিসি পরিবর্তন, নতুন ভিসি ড. মো. সোহেল হাসান সোনারগাঁয়ে মহজমপুর উচ্চ বিদ্যালয়েরর এস এস সি পরীক্ষায় কৃতি ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত চীনা যুদ্ধবিমান জে-১০ সিই কিনতে চুক্তির খসড়া প্রস্তুত ঢাকার আড়াইহাজারে ১৮০টি চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অনৈতিক নয়, গঠনমূলক কাজ করে দলকে শক্তিশালী করুন: রিজভী ভৈরবে যুবলীগ নেতাকে কু’পি’য়ে হ’ত্যা

জয়পুরহাটের হাসপাতালে রোগী ফেলে ডায়গনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার সময় জনতার হাতে অবরুদ্ধ ডাক্তার

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩১ জন পঠিত
ফারহানা আক্তার, জয়পুরহাট : জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি হাসপাতালে রোগী রেখে পাশের একটি বেসরকারি দ্বি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে ডা. মোর্শেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
এ সময় স্থানীয়রা তাকে ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে অবরুদ্ধ  করেন। পরে পুলিশ ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীদের অভিযোগ, ওই সময় ডা. মোর্শেদুল ইসলামের আক্কেলপুর উপজেলা সরকারি হাসপাতালে রোগী দেখার কথা ছিল। তার কাছে চিকিৎসা নিতে কয়েকজন রোগী অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় একটি ফোন পেয়ে তিনি হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পার হলেও তিনি হাসপাতালে ফিরে না আসায় অপেক্ষমাণ রোগীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ইয়াসমিন নামের এক রোগী বলেন, ডাক্তারের কাছে দেখানোর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। তিনি ফোন পেয়ে উঠে চলে যান। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তাকে পাইনি।
পরে স্থানীয়রা খোঁজ নিয়ে হাসপাতালের পাশের দ্বি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ গিয়ে ডা. মোর্শেদুল ইসলামকে রোগী দেখার সময় দেখতে পান৷ সেখানে রুজিনা  নামের এক রোগী তার কাছে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।
স্থানীয় সিফাত হোসেন বলেন, দুপুর ১২টার সময় তার সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের কথা। কিন্তু তাকে পাশের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখতে দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে তাকে    অবরুদ্ধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।পরে আক্কেলপুর থানা পুলিশের সদস্য ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ডা. মোর্শেদুল ইসলামকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
অভিযোগের বিষয়ে ডা. মোর্শেদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কে বলেছে আপনাকে ভাই? আমি পাঁচ মিনিট পর আপনাকে ফোন ব্যাক করতেছি। এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে তার কাছ থেকে আর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন বলেন, “ঘটনাটি আমি শুনেছি। সরকারি দায়িত্ব পালনকালে কোনো চিকিৎসক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেছেন কি না, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, আমি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার কিছু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট চাওয়া হয়েছিল, সেগুলো জমা দেওয়ার জন্যই আমি সেখানে যাই। ওই সময় আমার সামনে কোনো রোগী ছিল না এবং রোগী দেখার জন্য কোনো প্যাড, খাতা বা কলমও ছিল না। সেখানে অনেক লোকজন উপস্থিত ছিলেন। আমি ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সপ্তাহে একদিন রোগী দেখি। তবে ঘটনার সময় আমি কোনো রোগী দেখছিলাম না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION