1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
নতুন জাতের তরমুজে আনোয়ারের সফলতা - Bangladesh Khabor
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
১৪ শিক্ষকের মাদ্রাসায় ৫ শিক্ষার্থী, একজনও পাশ করেনি গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ৭৪ পরিবারের সদস্যদের মাঝে ৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সব ধর্মের মানুষের সমান মর্যাদায় বিশ্বাস করে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত এসএসসিতে এবার জিপিএ-৫ পেল ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন এসএসসির ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ এক ফ্যাসিবাদ তাড়িয়ে আরেক ফ্যাসিবাদ চায় না বাংলার জনগণ : জামায়াতে আমীর গোপালগঞ্জে মাত্রারিক্ত লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত সোনারগাঁয়ে আল মুজাহিদ মল্লিকের মাদকবিরোধী সভায় মুছলেকা দিয়ে মাদক ছাড়লেন আজিজুল হক গোপালগঞ্জকে মাদক মুক্ত জেলা গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ডিসি’র

নতুন জাতের তরমুজে আনোয়ারের সফলতা

  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬৬৪ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট: অনলাইনে ফলটি দেখে আমার পছন্দ হয়। পরে ইউটিউবে ভিডিও দেখি। তরমুজ ফলটির ওপরে এক রং, ভেতরে আরেক রং। তাই চাষ করার সিদ্ধান্ত নিই। গত বছর ভাড়ায় ২০ শতাংশ জমিতে শুরু করি এর চারা লাগানো।

পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই শুধু ভিডিও দেখে হলুদ তরমুজ চাষে প্রথমবারের মতো সফলতা পেয়েছেন কৃষক আনোয়ার হোসেন বেপারী। গত বছর পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করার পর এ বছর ভালো সাফল্য পেয়েছেন আনোয়ার।

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের মতি বেপারীর ছেলে আনোয়ার হোসেন বেপারী। পরিবারে তার স্ত্রী ও ২ মেয়ে রয়েছে।

জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত আনোয়ার। গত বছর তরমুজের ভিডিও দেখে খোঁজ শুরু করেন কালো তরমুজ-বীজের। এরপর বীজ সংগ্রহ করে ২০ শতাংশ জমিতে এক বছরে দুবার পরীক্ষামূলক চাষ শুরু করেন। এতে প্রথমবার তার খরচ হয় ৫০ হাজার টাকা। এ বছর এখন পর্যন্ত দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তার খেতে হলুদ তরমুজ ছাড়াও দেশি তরমুজ ও সৌদি আরবের ফল সাম্মামও চাষ হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্মকালীন সবজির পাশাপাশি স্বল্প পরিমাণ জমিতে ‘গোল্ডেন ক্রাউন’ তরমুজ ভালো ও লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজ অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন সুস্বাদু ফল। এই ফল সাধারণত উঁচু জমি এবং দোআঁশ মাটিতে চাষের জন্য উপযুক্ত। সাধারণত তরমুজ মাটিতে হলেও এটি মাচায় বড় হয়। বীজ বপনের ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে চারা গজায়। তারপর ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে ফলন এলে বিক্রি শুরু করা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, দুটি ভাগে ভাগ করে তরমুজের চারা লাগনো আছে। পুরো জমিতে বাশের খুঁটির ওপরে জাল বিছিয়ে মাচা তেরি করা হয়েছে। এতে তরমুজগাছের লতা বেড়ে উঠেছে। পুরো মাচা গাছে ছেয়ে আছে। মাচার মধ্যে সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলে আছে বিভিন্ন সাইজের বাহারি তরমুজ। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ক্রেতাদের পদচারণ হয় এখানে। তবে বিকেলে অনেক লোক আসে তরমুজ কেনার জন্য। তরমুজ কেনার পর সবাই ছবি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

আনোয়ার হোসেন বেপারী বলেন, আমি ইউটিউবে ফলটি দেখে চাষ করার সিদ্ধান্ত নিই। পরে বীজ সংগ্রহ করি। ২০ শতাংশ জমি ইজারা নিয়ে শুরু করি চাষ। কিন্তু সেই চারাগুলোয় কোনো ফল হয়নি। বিভিন্ন জায়গা দিয়ে ফুল হয়েছে। তিন মাস রাখার পর সব উঠিয়ে ফেলি। তখন ইউটিউবে গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজটি দেখি। ভিডিওতে দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী দিনাজপুর থেকে বীজ সংগ্রহ করি। আবার আমি গোল্ডেন ক্রাউন, পাকিজা ও ড্রাগন জাতের তরমুজ করার জন্য জমি প্রস্তুত করি। সেখানে এই তরমুজ লাগিয়ে ভালো ফলন পাই।

খরচ ও লাভের বিষয়ে আনোয়ার বলেন, আমি লসের মুখে ছিলাম। তারপরও এই তরমুজ চাষ থেকে কোনোভাবে পিছপা হইনি। গতবার ২০ শতাংশ জমিতে তরমুজ লাগিয়েছি। এ বছর বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি। এবারও জমি প্রস্তুতের পর থেকেই বিভিন্ন রোগ-বালাই হচ্ছে কিন্তু তার কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। তবে ভালো লাগছে যে বাহারি তরমুজ এখন আমার জমিতে। এই তরমুজের চাহিদা অনেক। মাঠ থেকে ক্রেতারা কিনে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতি কেজি তরমুজের দাম রাখা হচ্ছে ৮০ টাকা করে। একেকটি তরমুজ তিন থেকে পাঁচ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ মৌসুমে পাঁচ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করার আশা করছি।

কৃষি অফিস থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে আনোয়ার বলেন, সরকার উদ্যোক্তা তৈরি করছে। কিন্তু আমরা তা হতে পারছি না। আমাদের মাঠে কৃষি অফিস থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা করেনি। আমি নিজের মতো করে গাছের যত্ন করি। উপজেলা থেকে কোনো ধরনের সার বা কীটনাশক আমাকে দেয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION