1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো - Bangladesh Khabor
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সৃজনশীল অর্থনীতিতে তাঁতি-কামার-কুমারদের যুক্ত করা হবে: অর্থমন্ত্রী মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে বিনিয়োগে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান নবীনদের সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান আইজিপির সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো বাউফলের প্রধান সড়কে হঠাৎ লুটিয়ে পড়ে প্রবীণের মৃত্যু বর্ণাঢ্য আয়োজনে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিলো গোবিপ্রবি প্রশাসন একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন নগর জনস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর তালিকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিশেষ বার্তা বাউফলে ১২৪ ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর নানান প্রতিকূলতা পেরিয়ে অবশেষে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট সবুজ সংকেত পেয়েছে।  ইউনিটটির নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ প্রক্রিয়ার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর পূর্বে পরমাণু প্রযুক্তির এই জটিল প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’।

অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বায়রা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান জানান, পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি মিললেও জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করার আগে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমনের সেফটি ভালভের (পিওআরভি/পিওএসভি) প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে এ অনুমোদনটি কিছুদিন আটকে ছিল। পরবর্তীতে রাশিয়া থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সেই সমস্যার কার্যকর সমাধান করে এবং বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষায় এটি উত্তীর্ণ হয়। এর ফলে চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষনাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রূপপুর প্রকল্পের সামনে সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক চ্যালেঞ্জ ছিল ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। বায়রার অনুমোদনের পর এখন প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে একটি স্থিতিশীল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন (শৃঙ্খল বিক্রিয়া) শুরু হবে। এর মাধ্যমে রিঅ্যাক্টরটি নিষ্ক্রিয় বা স্থির অবস্থা থেকে একটি সক্রিয় অপারেশনাল পারমাণবিক স্থাপনায় রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক ধাপে প্রবেশ করবে।

‘ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ’ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরকে তার পূর্ণ নির্ধারিত তাপীয় ক্ষমতার এক শতাংশেরও কম শক্তিমাত্রায় পরিচালনা করে ‘ইনিশিয়াল ক্রিটিক্যালিটি’ বা প্রাথমিক স্তরে নেওয়া হবে। এ সময় রিঅ্যাক্টরের বিভিন্ন পরামিতি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামের কার্যকারিতা সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটিসহ পুরো ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়ায় আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে। এসব পরীক্ষার ফলাফল পুরোপুরি সন্তোষজনক হলে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হবে।

ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্পটি প্রবেশ করবে ‘পাওয়ার স্টার্ট-আপ’ ধাপে। এ পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বৃদ্ধি, টারবাইন সিনক্রোনাইজেশন এবং শেষ পর্যন্ত জেনারেটরকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করার কাজ শুরু হবে। তবে এর জন্য পরিচালনাকারী সংস্থাকে বায়রার কাছ থেকে আলাদাভাবে ট্রায়াল অপারেশনাল লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে।

পাওয়ার স্টার্ট-আপ পর্যায়েও রয়েছে বড় ধরনের প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ। এজন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরের রিঅ্যাক্টর, টারবাইন ও সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে তাৎক্ষণিক ও অত্যন্ত নিখুঁত সমন্বয় বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি বাইরের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক ও সহযোগী সংস্থার সঙ্গেও নিবিড় সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION