1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
সভাপতি-অধ্যক্ষের দ্বন্দ্বে ভাংচুর বাঘা যতীন ভাস্কর্য - Bangladesh Khabor
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ’সহ যেসব অভিযোগে শিবিরের পদ হারান আম্মার প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলা উচ্চারণ’ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে মন্তব্য, কুষ্টিয়ায় স্কুল শিক্ষক আটক গোবিপ্রবি মেডিকেল সেন্টারে স্বল্পমূল্যে ডেঙ্গুসহ ১৩ পরীক্ষা চালু, থাকছে পর্যাপ্ত ওষুধ কোটালীপাড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩ অক্টোবরে জ্বালানি তেলের দাম জানাল মন্ত্রণালয় স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি নেবে না: শাহে আলম বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও পরিকল্পনার কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার রূপগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও মাছের পোনা অবমুক্ত যেভাবে প্রিজন ভ্যান থেকে পালাল জেনেভা ক্যাম্পের মাদকসম্রাট

সভাপতি-অধ্যক্ষের দ্বন্দ্বে ভাংচুর বাঘা যতীন ভাস্কর্য

  • Update Time : রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫২৫ জন পঠিত
কুষ্টিয়া থেকে শাহীন আলম লিটন,
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া মহাবিদ্যালয়ে বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদের দায়ের করা ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানায় কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভির আরাফাত।  শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আনিচুর রহমান (৩৫), সবুজ হোসেন (২০) ও হৃদয় আহমেদ (২০)।
প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার বলেন, “১৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কুমারখালী উপজেলার কয়া মহাবিদ্যালয়ে বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকা তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের সাথে বাঁকিরা যারা রয়েছে, তাদেরও খুব শিঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে এবং আদালতে সোপর্দ্ধ করা হবে।”পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন, “আমার তদন্তে যেটা এখন পর্যন্ত পেয়েছি সেটা হলো কলেজের অভ্যন্তরিন দ্বন্দ্বের কারনে এ ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। কয়া মহাবিদ্যালয়ের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিজামুল হক চুনু এবং অধ্যক্ষ হারুনর রশিদের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব বিরাজমান। এখন পর্যন্ত আমরা জানতে পেরেছি এই কারণে হয়তো এ ভাঙচুর করা হতে পারে।
” পুলিশ সুপার আরো জানান, “এ ঘটনার চাক্ষুস প্রমান রয়েছে। কলেজের দারোয়ান ঘটনাটি স্ব-চোখে দেখেছে। তারা বেশ কিছুক্ষন ধরে সেখানে অবস্থান নিচ্ছিলো। রাত ১১টা থেকে আড্ডার ছলে তারা রাত পৌঁনে ১টার দিকে হাতুড়ি দিয়ে তিনটি স্থানে তিনটি আঘাত করে। পরে তারা মোটরসাইকেলে করে স্থান ত্যাগ করে।” এদিকে শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় কয়া মহাবিদ্যালয়ে বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় কুষ্টিয়া শহরের থানা মোড়ে জেলা জাসদের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করে জেলা জাসদের নেতৃবৃন্দরা।  প্রসঙ্গত শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ২টার দিকে দুর্বৃত্তরা একই ভাবে হাতুড়ি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর করে। পরে ঘটনাস্থলে থাকা সিসিটিভির ফুজেট সংগ্রহ করে পুলিশ। পরদিন শনিবার (০৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসার দুই ছাত্র ও তাদের সহযোগী দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION