1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
ইটিটি রুমে যাওয়ার সময় মামুনকে বাধা দেন এডিসি হারুন - Bangladesh Khabor
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৭ দিনের ছুটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত প্রস্তাব আহ্বান সাবেক এমপির বাসা থেকে গ্রেফতার, রিমান্ডে ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন বুধবার কুষ্টিয়ায় ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় ৫৫ বছরের হামিদুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা জামাতা গ্রেপ্তারের ঘটনায় বিবৃতিতে যা বললেন জামায়াতের এমপি গোবিপ্রবি উপাচার্যের একাডেমিক ভবন পরিদর্শন কোটালীপাড়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ:ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী দুদকের প্রেস ব্রিফিং চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আসিফ মাহমুদের রিট

ইটিটি রুমে যাওয়ার সময় মামুনকে বাধা দেন এডিসি হারুন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৮১ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : ছাত্রলীগের তিন নেতাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে মারধর করার আগে বারডেম হাসপাতালে দুই পক্ষের মধ্যে কী ঘটনা ঘটেছিল তা তুলে ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেন সেখানকার নিরাপত্তা কর্মকর্তা ওয়ারেছ আলী।

এদিকে ঘটনা তদন্তে ডিএমপির গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি আরও পাঁচ দিন সময় চেয়ে আবেদন করেছে। এ আবেদনের পর আরও পাঁচ কর্ম দিবস সময় বাড়ানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত বারডেম হাসপাতালের ইটিটি বিভাগে, সেখানকার আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া ছাত্রলীগের দুই নেতাকে যখন থানায় নিয়ে আসা হয় তখন কারা কারা শাহবাগ থানার পরিদর্শকের (তদন্ত) রুমে ঢুকেছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে কারা কারা জড়িত সেসব বিষয়ক খতিয়ে দেখছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। সব জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে গুরুত্ব সহকারে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন চারতলায় ৪০২৩ নম্বর ইটিটি কক্ষে ছিলেন সানজিদা। বাইরে বসে অপেক্ষা করছিলেন এডিসি হারুন। তখনই ঘটনাস্থলে আসেন এপিএস মামুন। তিনি এসেই এডিসি হারুনকে বলেন, ‘আপনি এখানে কী করছেন।’

স্ত্রী কোথায় আছেন জানার পর মামুন সরাসরি ইটিটি রুমে চলে যান। পেছন থেকে বাধা দেন এডিসি হারুন। ততক্ষণে আশপাশে মানুষ জড়ো হয়ে যায়।

এপিএস মামুন তখন চিৎকার দিয়ে বলেন, ‘আমার বউয়ের কাছে আমি যাব তুই আটকানোর কে?’ জোর করেই মামুন ইটিটি রুমে গিয়ে সঙ্গে থাকা দুই ছেলেকে ভিডিও করতে বলেন, তখন তার স্ত্রী সানজিদা স্বামী মামুনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে যান। তাদের বাধা দেন চতুর্থ তলায় দায়িত্বরত গার্ড ওয়ারেছ আলী।

চিঠিতে ওয়ারেছ আলী লেখেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে আসা একদল দর্শনার্থী ইটিটি (এক ধরনের শারীরিক পরীক্ষা) কক্ষের সামনে মারামারি করেন। হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করে এসে তিনি এই মারামারি দেখতে পান। দুই পক্ষকে অনুরোধ করে তিনি মারামারি থামাতে সমর্থ হন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, মারামারিতে লিপ্ত ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে, প্রথমে তারা পরিচয় জানাতে অস্বীকৃতি জানান। পরে অনুরোধ করলে তারা পরিচয় দেন। এতে জানা যায়, একজন রাষ্ট্রপতির এপিএস এবং অন্যজন হচ্ছেন পুলিশ কর্মকর্তা। এরপর বিষয়টি সিইও স্যারকে অবহিত করি এবং ওনার নির্দেশে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করি। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রমনা ও শাহবাগ থানার পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে নিয়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION