1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
অভয়নগরে কৃষি জমি লিজ নিয়ে সর্বশান্ত কৃষক : ১৫লাখ টাকার ক্ষতি - Bangladesh Khabor
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এবার পুলিশ কর্মকর্তাকে ধমকালেন আখতারুজ্জামান বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তাই নতুন স্বাভাবিক অবস্থা: অর্থমন্ত্রী ‘নিজ বাসভবনের ছাদের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’ গোপালগঞ্জে অতিরিক্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ রাখার অপরাধে ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতা সুজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারের অভিযোগ পুলিশকে মারধর করে বহিষ্কার হলেন যুবদল নেতা তিন মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং উৎখাত করা হবে: চিফ হুইপ জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার, বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর কুষ্টিয়ায় ছোট ভাইয়ের কোপে বড় ভাইয়ের মৃত্যু গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস -২০২৬ পালিত

অভয়নগরে কৃষি জমি লিজ নিয়ে সর্বশান্ত কৃষক : ১৫লাখ টাকার ক্ষতি

  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০২৩
  • ৩৩৬ জন পঠিত
মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর : অভয়নগরে কৃষি জমি লিজ নিয়ে সর্বশান্ত হয়েছেন এক কৃষক । ঘটনাটি ঘটেছে গত ১১ই মার্চে উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার দেবুরমিল এলাকায়।
এ ঘটনায় ১২ই মার্চে মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গুয়াখোলা গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মাদ খাঁর ছেলে কৃষক মো. শফিকুল ইসলাম(৫৩) তিনি বুইকারা মালেকের চাতালের পাশে বিবাদী মো. রহমাত আলীর (৫৫) কাছ থেকে ১০ বিঘা জমি (বছর প্রতি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে) ৫ বছর মেয়াদে লিজ নিয়ে ২ হাজার কলা গাছ, ৬শ পেয়ারা, ৬শ মালটা ১০ কাটা জায়গায় শসা, ১০কাটা জায়গায় লাউ, ১০ কাটা জায়গায় তরমুজ, ৫কাটা জায়গায় টমেটো, ১০ কাটা জায়গায় পইশাঁক, ১০ কাটা জায়গায় পেঁেপ, ৮শ লেবুগাছসহ অসংখ্য ফলজ ও বনজ গাছ লাগান।
শফিকুল বিভিন্ন এনজিও থেকে প্রায় ৬ লাখ  টাকা লোন তুলে দশবিঘা জমি লিজ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের ফলের চাষাবাদ শুরু করেন। একবছর মেয়াদ শেষ হলে বিবাদী রহমত আলী শফিকুলকে ডেকে বছর প্রতি লিজের টাকা চান ।
এতে শফিকুল ইসলাম রহমতের কাছে সময় চাই। তিনি সময় না দিয়ে তার কর্মচারী মো. বাবুল ও তার বন্ধু মোস্ত নামের এক ব্যক্তি ওই জমিতে থাকা পানির মেশিন রুম ও গেটে তালা লাগিয়ে দিয়ে বিদ্যু সংযোগ বন্ধ করে দেন। এসময় শফিকুল জমিতে থাকা সবজি ও গাছপালা মরে যাওয়ার ভয়ে কিছু টাকা মানেজ করে রহমতে কাছে যান। ওই সময় রহমত তার কর্মচারীদের সাথে শফিকুলকে যোগাযোগ করতে বলেন।
এসময় তিনি কোন উপায়ান্ত না পেয়ে আবার  বাবুল ও মোস্তর কাছে যান। বাবুল ও মোস্ত তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করেন। এবং টাকা পরিশোধ না করা পযর্ন্ত তালা ঘুলে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন।
এদিকে শফিকুলের লাগানো ফসল পানির অভাবে মারা যেতে শুরু করে। কৃষি জমি লিজ নিয়ে সর্বশান্ত হয়ে কৃষক শফিকুল পথে পথে ঘুরছেন। তার লিজ নেওয়া জমি করে ১৫লাখ টাকার ক্ষতির পথে।
ভুক্তভোগী কৃষক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন,  বিভিন্ন এনজিও থেকে লোনের টাকা তুলে ১০বিঘা জমি ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন ধরণের ফলের চাষাবাদ করেছেন। ঐ প্রজেক্টের চাষি মোঃ শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, জমির মালিক শিল্প বানিজ্য নগর নওয়াপাড়ার রহমত স্টোর নামে একজন ব্যবসায়ী তিনি ঐ জমি বছরে ১লাখ ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে আমার কাছে ভাড়া দিয়েছে। আমি পূর্বের সমুদয় ভাড়ার টাকা পরিশোধ করার পরেও আমাকে ঐ জমি থেকে উচ্ছেদ করার লক্ষে বিভিন্ন সময় হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। যে কারণে আমি ন্যায় বিচার চেয়ে একমাস আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আমার চাষকরা সম্পদ রক্ষা করার জন্য একটি লিখিত আবেদন করি। এবং অভয়নগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি। থানা পুলিশ বার বার মিমাংসা করার চেষ্টা করলেও ঐ জমির মালিক পুলিশের কোন কথা শুনেনি বা থানায় হাজির হয়নি।
অবশেষে গত ৫ মার্চ ঐ ব্যবসায়ী রহমত আলী আমি যাতে ফলজ ও বনজ সম্পদ চাষ করতে না পারি সেই লক্ষে আমার ঐ প্রজেক্টের মিটার কেটে ও ট্রান্সমিটার নিয়ে আসে। যে কারনে আমি গরীব অসহায় কৃষক ব্যাপক বিপদে পড়েছি।
সরেজমিনে, ঐ ফলজ চাষাবাদের মধ্যে রয়েছে কলা, পিয়ারা, মালটা খিরাই, লাউ, তরমুজ, লেবুসহ অসংখ্য ফলজ ও বনজ সম্পদ মরে ও নষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে।  বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করা আছে। সেচ পানি বন্ধ আছে। এবিষয়ে জমির মালিক রহমত আলী বলেন, আমি বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন বিষয়ে কিছু জানিনা। বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ কতৃর্পক্ষ সব বিছিন্ন করেছে। আমি শফিকুল এর কাছে জমির ভাড়ার টাকা পাব।
এবিষয়ে নওয়াপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ এর ডিজিএম আব্দুলাহ আল মামুন বলেন, তিন মাস বিদ্যুৎ বিছিন্ন থাকলে আমরা ট্রান্সমিটার খুলে অন্য জায়গায় দিয়ে দেওয়া হয়।  তাছাড়া ট্রান্সমিটার খোলা হয় না । ভুল যদি হয়ে থাকে আমি দেখবো গ্রাহককে পাঠিয়ে দিন ।এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার অফিসার ইনর্চাজ একেএম শামীম হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর মিমাংসা করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিবাদী থানায় হাজির হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দিন জানান, আমাদের বরাবর কৃষক শফিকুল অভিযোগ দিয়েছিল। এ ব্যাপারে থানার সহযোগিতা নিতে বলেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION