1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
বিএনপি নেতা পরিমলের সম্পদের খোঁজে দুদক - Bangladesh Khabor
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডিসেম্বরে আ. লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম অপতথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে একটি মহল: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী কোটালীপাড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি রচিত হয়: খন্দকার মারুফ ডিসেম্বরে কেউ আসতে চাচ্ছে, আমরা প্রস্তুত আছি: নাহিদ ইসলাম কোটালীপাড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের র‍্যালি ও সমাবেশ বাউফলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোপালগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ -২৭ (সিজন –২) -এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত চার দিন পর জাতীয় গ্রিডে সামিটের গ্যাস সরবরাহ শুরু ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি নেতা পরিমলের সম্পদের খোঁজে দুদক

  • Update Time : শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭৮৯ জন পঠিত

নিউজ ডেস্ক: বগুড়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের অনুসন্ধান করছে দুদক জেলা সমন্বিত কার্যালয়। অজ্ঞাত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শনিবার বিকালে দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সূত্র জানায়, সম্প্রতি দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ে বগুড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর (১নং প্যানেল মেয়র) পরিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে চিঠি দেন। সেই চিঠিতে পরিমলের নামে ২৫টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পাঁচটি বিলাস বহুল বাড়িসহ জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত মোট ২৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়। অভিযোগটি আমলে নিয়ে দুদক কর্মকর্তারা প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেন। দায়িত্ব দেওয়া হয় বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামানকে। গত ১২ এপ্রিল পরিমলকে দুদক কার্যালয়ে ডেকে অভিযোগ প্রসঙ্গে আলাপও করা হয়েছে।

দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান জানান, বেনামে আসা অভিযোগটি আমলে নিয়ে তাদের অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। পরিমলকে অফিসে ডেকে কথা বলা হয়েছে। এক কর্মকর্তাকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই পরিমল চন্দ্র দাস ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে তার নিজের ও পোষ্যদের স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদের হিসাব চাওয়া হবে। তদন্তে সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে মামলা হবে। আর সত্যতা না পেলে তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

পরিমল চন্দ্র দাস জানান, তার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ১৯ শতক জায়গা ছাড়া কোনো সম্পদ-সম্পত্তি নেই। রাজনৈতিক কোনো প্রতিপক্ষ তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করতেই দুদকে বেনামে অভিযোগ করেছে। দুদক কার্যালয় থেকে তাকে ডেকে কর্মকর্তারা ব্যাংক হিসাব ও কোন শাখায় কত টাকা এবং তিনি ও পোষ্যদের কী কী সম্পদ আছে তা জানতে চেয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION