1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
ধর্ম-বর্ণের বিভাজন নয়, সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী - Bangladesh Khabor
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইশরাকের হাতে অস্ত্রটা না থাকলে ভালো হতো, কাজকে নেগেটিভ বলার সুযোগ নেই: জামায়াত আমির মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর ধর্ম-বর্ণের বিভাজন নয়, সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরের স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন বাউফলে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব কৃষক মোশাররফ, পুড়ল বোনের বিয়ের ৭ লাখ টাকা ও গবাদিপশু ৩৯ হাজার আখচাষিকে প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভিয়েতনামের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন রাহুল গান্ধী, দাবি বিজেপির বোমা আতঙ্কের মধ্যেও শেষ দিনে কুষ্টিয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে মানুষের ঢল ধর্মের নামে কেউ যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে: রাষ্ট্রপতি কুষ্টিয়ায় লালন আখড়া বাড়ির ভেতর থেকে ‘বোমাসদৃশ’ বস্তু উদ্ধার

ধর্ম-বর্ণের বিভাজন নয়, সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : ধর্ম-বর্ণের পরিচয়ে নয়, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সবাইকে মিলেমিশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সবার সহযোগিতায় সুখী-সমৃদ্ধ ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রামের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এ দেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। সেদিন কেউ দেখেনি কে হিন্দু, কে মুসলিম, কে বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান। স্বাধীনতার পরও বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্রের ওপর হুমকি এসেছে। তখনো মানুষ কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নেমেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। দেশের প্রতিটি জেলায় লাখ লাখ মানুষ আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। সেদিনও কেউ কারও ধর্মীয় পরিচয় জানতে চায়নি। গুলিবিদ্ধ মানুষকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, কেউ পথে প্রাণ হারিয়েছেন। সবার লক্ষ্য ছিল মানুষের কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

তারেক রহমান বলেন, এই দেশ সবার। কেউ মুসলিম, হিন্দু বা বৌদ্ধ যে ধর্মেরই হোন না কেন, সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় এখানে মুখ্য নয়। দেশের আইনে একজনের জন্য যা প্রযোজ্য, অন্যজনের জন্যও তা-ই প্রযোজ্য। রাষ্ট্র সবার অধিকার নিশ্চিত করবে। সবার সহযোগিতা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য ও নেতারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION