1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
সাংবাদিককে ‘সাংঘাতিক’ বলা কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রত্যাহার - Bangladesh Khabor
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আমাদের নসিহত করার আগে নিজের ঘর সামলান: জামায়াতকে প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় দুই মাসে অ্যানথ্রাক্সে রোগী আক্রান্ত ৫৪ জন প্রতি কৃষক কার্ডের বিকাশে এলো আড়াই হাজার টাকা, কোটালীপাড়ার কৃষকদের স্বস্তির হাসি কোটালীপাড়ায় ফের হামলায় দুই পক্ষের ১১ জন আহত কুষ্টিয়ার মিরপুরে বাসচাপায় নারীসহ দুইজন নিহত বাউফলে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত গোপালগঞ্জ “১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ- ২০২৬” এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত বাউফলে ছুরিকাঘাতে দুই যুবক আহত ‘মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ’সহ যেসব অভিযোগে শিবিরের পদ হারান আম্মার প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলা উচ্চারণ’ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে মন্তব্য, কুষ্টিয়ায় স্কুল শিক্ষক আটক

সাংবাদিককে ‘সাংঘাতিক’ বলা কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রত্যাহার

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
  • ১০৬ জন পঠিত
শাহীন আলম লিটন, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোল্লা মোহা. রুহুল আমিনকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে। তাঁকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়।
প্রজ্ঞাপনে জারি হওয়া সরকারি আদেশে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফকে অধ্যক্ষ পদে পদায়ন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের ২০ মে তারিখের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে মোল্লা মোহা. রুহুল আমিনকে অবমুক্ত হতে হবে। অন্যথায় নির্ধারিত তারিখের পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরেই অধ্যক্ষ রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে কলেজের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে আসছিলেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ গত ১১ মে বাজারে আসা একটি ডিজিটাল মিডিয়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের নিয়ে কটূক্তিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যর সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি সমালোচিত হন।
বক্তব্যে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আমির হামজার প্রসঙ্গ টেনে রুহুল আমিনকে বলতে শোনা যায়, ‘গত কয়েক দিন ধরে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের নিউজ নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় হয়ে গেল। অসংখ্য সাংবাদিকের সামনে আমাকে কথা বলতে হয়েছে। একটি অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে সদর আসনের সংসদ সদস্য আমাদের এখানে এসেছেন। আমি তাঁকে গার্ড অব অনার দিয়েছি। মঞ্চে নিয়ে গেছি। সেখানে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন। আমিও বক্তব্য দিয়েছি। আমরা খেলা উদ্বোধন করেছি। এত কিছু করলাম নিউজে আসল না। আপনাদের নিউজে আসল উনার সাথে কে, কি করেছে সেটা। এই যদি পত্রিকার অবস্থা হয়, এই যদি সাংবাদিকতার অবস্থা হয় তাহলে এটা জাতির জনক অত্যন্ত দুঃখের কারণ।’
এ সময় রুহুল আমিন বলেন, ‘আমরা এক সময় সাঈদি সাহেবকে বলতে শুনেছি সাংবাদিকেরা সাংঘাতিক।’
এর আগে গত ৭ মে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে গিয়ে তুমুল হট্টগোলের মুখে পড়েন সংসদ সদস্য আমির হামজা।
মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার সময় সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী মঞ্চের সামনে জড়ো হয়ে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনের জন্য মাঠে প্রবেশ করলে ওই শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়েও আমির হামজাকে ঘিরে ধরে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় তারা মাঠের মধ্যে বসে পড়েন। এই পরিস্থিতিতে কলেজের অধ্যক্ষ আমির হামজাকে নিয়ে তাঁর কার্যালয়ে চলে যান।
শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের কার্যালয়ে গিয়েও একইভাবে স্লোগান দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে পুলিশ অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান। এ সময় এমপি আমির হামজা পুলিশের সঙ্গে বেরিয়ে কলেজ ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।
এ ঘটনার পর আমির হামজার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে লেখা হয়, ‘কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ পরিদর্শনকালীন সময়ে মাননীয় সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা।’
ওই দিন শিক্ষার্থীরা জানান, কুষ্টিয়ার সরকারি কলেজে আন্তঃবিভাগ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাঠ পরিষ্কার করতে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বর্ধনে লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিকার এবং জড়িতদের শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
জানতে চাইলে সত্যতা নিশ্চিত করে সদ্য ওএসডি হওয়া মোল্লা মোহা. রুহুল আমিন বলেন, এই ওএসডি করা মানে কোনো ডিপার্টমেন্টাল পানিশমেন্ট (শাস্তি) নয়। যেহেতু পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে কোনো অধ্যাপকের পদ আপাতত খালি নেই, তাই মাউশি থেকে আমার অর্থায়ন হবে। এই বদলি কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মনে করেন কিনা—এমন প্রশ্নে রুহুল আমিন বলেন, সরকারি চেয়ারে বসে বা দায়িত্ব পালনকালে এই নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION