1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
কোটালীপাড়ায় বোরো ধান কর্তনে ধীরগতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক - Bangladesh Khabor
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান নাহিদ ইসলামের চার জেলায় নতুন পুলিশ সুপার জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের কথা মাথায় রেখেই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি: তথ্য উপদেষ্টা শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতা করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিসি ফরিদা দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ গোপালগঞ্জের নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী সরদার আকিবুল ইসলাম: সম্ভাবনা, প্রত্যাশা ও জনসম্পৃক্ততার সমীকরণ বাউফলে নিজ কার্যালয়ে বসেন না স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ দাম বাড়লো এলপিজির

কোটালীপাড়ায় বোরো ধান কর্তনে ধীরগতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

  • Update Time : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ১৫৬ জন পঠিত
কামরুল হাসান, কোটালীপাড়া : শ্রমিকের অভাব ও বৃষ্টিপাতের কারণে সময়মত ধান কাটতে পারছেন না কোটালীপাড়ার কৃষকরা। অনেক জায়গায় পাকা ধান ক্ষেতেই পড়ে আছে, আবার কোথাও কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সময়মতো ধান ঘরে তুলতে না পারায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, পর্যাপ্ত শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। বিভিন্ন জেলা থেকে যারা আসছেন তাদের মজুরিও বেড়ে গেছে। বৃষ্টির কারনে অনেক শ্রমিক কাজ শুরু করে মাঝপথেই চলে যাচ্ছেন। এছাড়া ধান কাটার কৃষিযন্ত্র চালাতে দক্ষ অপারেটরের অভাবেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
তারাশী গ্রামের কৃষক হিটু তালুকদার বলেন, শ্রমিকের অভাবে পাকা ধান জমিতে পড়ে আছে। অল্প সংখ্যক শ্রমিক যাও মিলছে তাদের মজুরি অনেক বেশি, তাই খরচও বেড়ে যাচ্ছে। এভাবে চললে লাভ তো দূরের কথা, খরচই উঠবে না।
কান্দি গ্রামের কৃষক সুরেস মধু বলেন, ধান পেকে গেছে, কিন্তু জমিতে পানি থাকায় মেশিন নামানো যাচ্ছে না। খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি। অন্যদিকে ধান কাটার পর মাড়াই নিয়েও নতুন সংকটে পড়েছেন কৃষকরা। ডিজেলের ঘাটতির কারণে পর্যাপ্ত মাড়াই মেশিন চালানো যাচ্ছে না। ফলে অনেক জায়গায় কাটা ধান সময়মতো মাড়াই করা সম্ভব হচ্ছে না, যা ক্ষতির ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে বোরো ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ হাজার ৭৯৪ হেক্টর। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ২৬ হাজার ৮০৩ হেক্টর জমিতে। গত ২০ এপ্রিল থেকে ০৫ মে পর্যন্ত ৬ হাজার ৯৬৭ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে।  এখনো বাকি রয়েছে প্রায় ১৯ হাজার ৮৩৪ হেক্টর জমির ধান কর্তন। যা মোট আবাদকৃত জমির প্রায় ৭৬ শতাংশ।
উপজেলা কৃষি অফিসার দোলন চন্দ্র রায় বলেন, বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতে পানি জমে থাকায় যন্ত্রের মাধ্যমে ধান কাটতে সমস্যা হচ্ছে। উপজেলায় ১৮টি কম্বাইন হারভেস্টার ও ১৫৬টি রিপার মেশিন রয়েছে, তবে সব জায়গায় তা ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা কৃষকদের সহযোগিতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
তিনি আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী ২০ থেকে ২৫ মে’র মধ্যে ধান কর্তন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION