1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
১ জানুয়ারি হচ্ছে না বই উৎসব - Bangladesh Khabor
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১৪ শিক্ষকের মাদ্রাসায় ৫ শিক্ষার্থী, একজনও পাশ করেনি গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ৭৪ পরিবারের সদস্যদের মাঝে ৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সব ধর্মের মানুষের সমান মর্যাদায় বিশ্বাস করে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত এসএসসিতে এবার জিপিএ-৫ পেল ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন এসএসসির ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ এক ফ্যাসিবাদ তাড়িয়ে আরেক ফ্যাসিবাদ চায় না বাংলার জনগণ : জামায়াতে আমীর গোপালগঞ্জে মাত্রারিক্ত লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত সোনারগাঁয়ে আল মুজাহিদ মল্লিকের মাদকবিরোধী সভায় মুছলেকা দিয়ে মাদক ছাড়লেন আজিজুল হক গোপালগঞ্জকে মাদক মুক্ত জেলা গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ডিসি’র

১ জানুয়ারি হচ্ছে না বই উৎসব

  • Update Time : রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩০৭ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : ১ জানুয়ারি জাতীয় বই উৎসব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেছেন, নতুন পাঠ্যপুস্তকে থাকছে জুলাই-আগস্টের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) সকালে খুলনার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

বই উৎসব দেরিতে হওয়ার কারণ উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, যেহেতু বাইরের একটি দেশের বই ছাপার কথা ছিল। ৫ আগস্টের পরে সেই টেন্ডার বাতিল করে নতুন টেন্ডার আহ্বানের ফলে বই ছাপাতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এজন্য বই বিতরণে কিছুটা দেরি হলেও প্রাথমিকের বই জানুয়ারির মধ্যেই বিতরণ করা সম্ভব হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের ওপরে কিছুটা বাড়তি চাপ পড়বে এটি ঠিক। এটি মেনে নিতে হবে। তার কারণ গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী দেশে সব ক্ষেত্রেই একটি প্রভাব পড়ে। যেটি শিক্ষাক্ষেত্রেও পড়েছে। এটি মেনে নিয়েই আমাদেরকে সামনে এগোতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু হবে। যা আগামী বছরই প্রকল্প আকারে চালু হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়াতে কেবল বাংলাদেশে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ সবচেয়ে কম, বাজেটের মাত্র দুই শতাংশ। কিন্তু ইউনেস্কোর মতে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাজেটের ছয় শতাংশ হওয়া উচিত। শিক্ষকদের আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদার উন্নতি ঘটানো এখন সময়ের দাবি। প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্যই হলো শিশুদের অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন করে গড়ে তোলা। একই সঙ্গে তাকে ভাষাজ্ঞানে ও গণিতে দক্ষ করা। পড়তে পারা মানুষের সামনে বিশ্বের জ্ঞানরাজ্যের দ্বার খুলে যায়। যার সূচনা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই হয়।

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ ফিরোজ সরকার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION