1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
‘বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে চলতে দেশকে সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তুলব’ - Bangladesh Khabor
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৭ গ্যাস নিয়ে সুখবর জামায়াত-আ.লীগের পুরোনো প্রেম আবার জেগেছে: রাশেদ খান ফ্যাসিস্ট-গুপ্তদের রুখতে রাজপথ দখলে রাখতে বললেন যুবদল সভাপতি গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে হরিচাঁদ গুরুচাঁদ সেবা সংঘের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জনকারীদের তালিকা করছে ইসরাইল অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন বোমাবাজি নিয়ে পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার জাতীয় শিতোরিউ কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে জয়পুরহাটের ৩২ পদক জয় কোটালীপাড়ায় ছাত্রদলের সব ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

‘বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে চলতে দেশকে সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তুলব’

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ, ২০২২
  • ৪২৪ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে আমরা এমনভাবে গড়ে তুলবো যাতে বিশ্বের কাছে কোনো বাঙালিকে আর মাথা নিচু করে চলতে না হয়। দেশের সাম্প্রতিক উন্নয়ন অগ্রগতিকে আলোর পথের যাত্রা আখ্যায়িত করে একে অব্যাহত রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, সমগ্র জাতির কাছে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে আমার আহ্বান থাকবে, অনুরোধ থাকবে, আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বাধীন এদেশকে আমরা এমনভাবে সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তুলব যাতে বাঙালি জাতিকে আর বিশ্বের কারো কাছে মাথা নত করে চলতে না হয়। আমরা উন্নত-সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করেই এগিয়ে যাব।

তিনি বলেন, আলোর পথের এই যাত্রা অব্যাহত থাক, বাংলাদেশের মানুষ সুখী সমৃদ্ধ এবং উন্নত জীবন লাভ করুক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সকালে নয় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠানের মাঝে দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২’ প্রদানকালে ভাষণে এ সব কথা বলেন।

তিনি তার তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থেকে এ পুরস্কার বিতরণ করেন।

সরকার প্রধান বলেন, যে জাতি নিজের মাতৃভাষার জন্য বুকের রক্ত দেয়, স্বাধীনতার জন্য বুকের রক্ত দিয়ে যায়, সে জাতিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারে না- সে কথা বলে গেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে। আমিও তা বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, অনেক চড়াই উৎড়াই পার হয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আমরা যে এগিয়ে যাচ্ছি সে যাত্রা যেন অব্যাহত থাকে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি তা ধরে রেখে এর সুফল প্রত্যেক ঘরে ঘরে পৌঁছে দেব, এটাই আমাদের লক্ষ্য এবং সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

কোভিড-১৯ এর কারণে বিশ্ব অর্থনীতির মন্দাভাব এবং দেশে দেশে খাদ্য সংকট থাকলেও আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে পারায় তার সরকারের সাফল্যেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, তার দেশে বেসরকারি খাতে গণমাধ্যমকে ছেড়ে দেওয়ায় এর অবাধ স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে অনেক ছোট খাটো বিষয়ও সামনে চলে আসে কিন্তু বিশ্বের অনেক দেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংকটের যে বিষয় রয়েছে তা তারা প্রচার করেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রচার না করলেও আমরা জানি অনেক উন্নত দেশে ব্যাপকভাবে খাদ্যের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। এমনকি যারা সারাবিশ্বে মোড়লগিরি করে বেড়ায় তাদেরও অনেক মানুষ দরিদ্র সীমার নিচে চলে গেছে। কিন্তু সেদিক থেকে বিবেচনা করলেও করোনা মোকাবিলা করেও বাংলাদেশের উন্নয়নের গতিধারা আমরা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছি।

এ জন্য তার সহকর্মী এবং সংশ্লিষ্টদের দিন-রাত পরিশ্রমের উল্লেখ করে তাদের তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

পাশাপাশি অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য তিনি তার দলসহ সকল সহযোগী সংগঠন এবং দেশবাসীকেও কৃতজ্ঞতা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকারি লোকরা যেমন করেছে তেমনি আমার দলের লোকরাও আন্তরিকতা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং সহযোগিতা করেছে।

তিনি ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২’ বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আমাদের দেশের আনাচে কানাচে অনেক মানুষ ছড়িয়ে আছে যারা মানুষের সেবা করেন নিজেদের উদ্যোগে। সেই ধরনের মানুষগুলোকেও আমাদের খুঁজে বের করতে হবে এবং তাদেরকেও পুরস্কৃত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা মানুষের কল্যাণে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছেন এমন অনেকেই রয়েছেন তারা কখনো প্রচারে আসেন না। তারা দৃষ্টি সীমার বাইরেই থাকেন। কিন্তু তাদেরকে খুঁজে বের করে আমাদের পুরস্কৃত করা উচিত এ করণে যে, তাদের দেখে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম এবং অন্যরা শিক্ষা লাভ করতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের সেবার এবং কল্যাণের মধ্যদিয়ে যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায় হাজার ধন সম্পদ বানালেও সেটা হয় না। কাজেই সেভাবেই আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি করোনাকালীন অবস্থার উত্তরনে সশরীওে স্বাধীনতা পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারায় নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত বোধ করছেন বলেও জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা আমাদের স্বতন্ত্র জাতিস্বত্তা অর্জনের মাধ্যমে একটি স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র দিয়েছেন বলেই আজকে আমরা দেশের মেধাবীদের অন্বেষণের সুযোগ পাচ্ছি এবং তাদেরকে পুরস্কৃত করে আগামী প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করার একটি পদক্ষেপ নিতে পারছি। স্বাধীনতা অর্জন করতে না পারলে মেধা বিকাশের কোন সুযোগ কখনই আমরা পেতাম না বরং শোষিত বঞ্চিতই থেকে যেতাম।

তিনি এ সময় আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মিত্র ভারতীয় বাহিনীর আত্মত্যাগ, ভারত সরকার এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে সহযোগিতার পাশাপাশি অন্যান্য দেশের সহযোগিতার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের মত মিত্র বাহিনীর এ দেশে অবস্থান না করে দেশে ফিরে যাওয়ায় জাতির পিতার কূটনৈতিক সাফল্যেরও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরোধে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধি ভারতীয় সেনাবাহিনী নিজের দেশে ফেরত নিয়ে যান। যেটা সমসাময়িক ইতিহাসে একটা বিরল ঘটনা। কারণ, জাতির পিতা ছিলেন একজন স্বাধীন চেতা নেতা। সেই সাথে আমি বলবো ইন্দিরা গান্ধিও ছিলেন স্বাধীন চেতা। যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় শুধু সহযোগিতাই দেননি, দেশ পুণর্গঠনেও অনেক সহযোগিতা করে গেছেন।

জাতির পিতা একটা ধ্বংস স্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশকে পুনর্গঠনের পাশাপাশি জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সে সময় বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেন। দেশে-বিদেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র এবং বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও ’৭৫ সালে আমরা ৭ ভাগের ওপরে জিডিপি অর্জন করতে সমর্থ হয়েছিলাম।

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশের স্বাবলম্বিতা অর্জনের প্রসঙ্গ টেনে সরকার প্রধান বলেন, আগে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে গেলে অনেকের পরামর্শ এবং দিক নির্দেশনাই শুনতে হতো। কিন্তু আজকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বিতা এতদূর অর্জন করেছি যে আমাদের উন্নয়ন প্রকল্পের শতকরা ৯০ ভাগই নিজস্ব অর্থায়নে করতে পারি। এটা যেন অব্যাহত থাকে সেটাই আমরা চাই।

শেখ হাসিনা মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তদেরকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাদের পক্ষে পরিবারের সদস্য হিসেবে যারা পদক নিয়েছেন তারাও তাদের আদর্শ অনুসরণ করেই চলবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION