1. rahmanazmanur@gmail.com : Azmanur Rahman : Azmanur Rahman
  2. bkhabor25@gmail.com : Editor Section : Editor Section
  3. bkhabor24@gmail.com : Md Abu Naim : Md Abu Naim
  4. sadiaafrin2352@gmail.com : Sadia Afrin : Sadia Afrin
  5. jmitsolution24@gmail.com : support :
বিচারকের খাস কামরায় ডেকে পুলিশের এসআইকে মারধরের অভিযোগ - Bangladesh Khabor
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জিয়া উদ্যানে বৃক্ষরোপন-ক্রিসেন্ট লেকে মৎস্য অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী আনসার-ভিডিপিকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির দুই বছরের মধ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন দেশে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেপাল দূতাবাসে গিয়ে শোক বইয়ে হুমায়ুন কবিরের সই তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি, সাক্ষাতের প্রত্যাশা বিচারকের খাস কামরায় ডেকে পুলিশের এসআইকে মারধরের অভিযোগ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যার বিষয়ে সরকার অবগত আছে : প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী গোবিপ্রবিতে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন গুম প্রতিরোধ অর্ডিন্যান্স বহাল রাখতে হবে: পরওয়ার আমাদের জন্য ঘোর অন্ধকার অপেক্ষা করছে: বিএনপির এমপি সেলিম

বিচারকের খাস কামরায় ডেকে পুলিশের এসআইকে মারধরের অভিযোগ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ জন পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারকের খাস কামরায় ডেকে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা রেলওয়ে থানার এসআই মোহাম্মদ আলী।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচার চেয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি ও আইনমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে থানার আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ ও পদ্মা সেতুগামী শহরতলী রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে দায়িত্ব পালনকালে এএসআই (নিরস্ত্র) মৌসুমী আক্তারসহ সঙ্গীয় ফোর্স যাত্রীদের ব্যাগ তল্লাশি করছিলেন।

এ সময় সাকিব আল হাসান (২৯) ব্যাগ তল্লাশি না করানো নিয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে উচ্চবাচ্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের তল্লাশি করার কোনো অধিকার নেই বলেও প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সাকিব রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে থানায় নেওয়া হয়। সেখানে তিনি নিজেকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর পিয়ন পদমর্যাদার কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে সংশ্লিষ্ট বিচারকের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তখনই নিষ্পত্তি করা হয়।

তবে থানা থেকে বের হওয়ার সময় সাকিব ‘কোর্ট হলে দেখে নিতেন’ বলে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন এসআই মোহাম্মদ আলী। পরে ঢাকা রেলওয়ে থানার সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) বিষয়টি লিপিবদ্ধ করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, সোমবার অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মোহাম্মদ আলী। পরে তাকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়।

মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বিচারকের খাস কামরায় যান এসআই মোহাম্মদ আলী। তবে তাদের বাইরে রেখে তাকে একাই ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, খাস কামরায় আগে থেকেই বিচারকের কর্মচারী সাকিব আল হাসানসহ কয়েকজন ব্যক্তি ছিলেন। মোহাম্মদ আলী ভেতরে প্রবেশের পর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে একজন ব্যক্তি পেছন থেকে তাকে সজোরে আঘাত করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। আত্মরক্ষার্থে তিনি ওই ব্যক্তির হাত ধরে ফেলেন। এ সময় বিচারকের দিকে তাকিয়ে ‘স্যার, এটা কী হচ্ছে?’ জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি দরজার দিকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে বলেন, ‘বুঝছস, আমরা কারা?’

পুরো ঘটনাটি খাস কামরায় থাকা এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ধারণ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ও তার ব্যক্তিগত সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়।

ভুক্তভোগী এসআই মোহাম্মদ আলী যুগান্তরকে বলেন, ‘আমার কোনো অপরাধ থাকলে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা যেত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু এভাবে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিকভাবে হয়রানি করার কোনো কারণ দেখি না।’

তিনি বলেন, ‘আমি জজ স্যারকে বলেছি, আমার কোনো অপরাধ হয়ে থাকলে আমি দুঃখিত, আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। কিন্তু এভাবে আমাকে অপমান ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার কারণ কী?’

মোহাম্মদ আলী আরও বলেন, ‘পরে আমাকে হাত ধরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলাতে বাধ্য করা হয়। এরপর আমি সেখান থেকে বের হয়ে আসি।’

ঘটনার পর তিনি মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান।

অভিযোগে ওই হামলাকারীকে আদালতের উমেদার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তার নাম জানা যায়নি। তবে তাকে দেখলে শনাক্ত করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন এসআই মোহাম্মদ আলী।

অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design & Develpment by : JM IT SOLUTION